দুবাইয়ে দুর্ঘটনার নিহত আজাদ মিয়ার লাশ বৃহস্পতিবার দেশে আসছে

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০১৯     আপডেট : ১ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দীর্ঘ এক মাস পর দেশে আসছে দুবাইয়ে দুর্ঘটনার নিহত মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের আজাদ মিয়া (৩২) এর লাশ। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মরদেহ দেশে আসছে বলে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন। চলতি বছরের ২৫ জুলাই আবুধাবির আলাইন শহরে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় মারা যায় আজাদ। টাকার অভাবে এক মাস ধরে আবুধাবির একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে তার মরদেহ। শেষপর্যন্ত বিদেশে থাকা স্বজনরা টাকা যোগাড় করে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন।

আজাদ মিয়ার ছোট বোন সাজনা আক্তার বলেন, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না। ভাই অনেক কষ্ট করে সংসারে অর্থের যোগান দিয়েছেন। ২ বোনকে বিয়ে দিয়েছেন। বিদেশে গিয়ে ভাই মারা গেছেন। শুধু টাকার অভাবে ভাইয়ের লাশ দেশে আনতে বিলম্ব হচ্ছে। আবুধাবিতেও সরকারি লোকজন কেউ সাহায্য করেনি। লাশের কফিন, বিমানে লাশ আনতে টিকেট কিনতে আবুধাবিতে সাহায্য তুলে ভাইয়ের লাশ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার দেশে আসবে ভাইয়ের লাশ।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভ্রমণ ভিসায় আবুধাবি যান আজাদ। সেখানে গিয়ে তিনি দেশটির চলমান আইন অনুযায়ী বিজনেস ভিসা অর্থাৎ ইনভেস্টর পার্টনার প্রফেশনে আকামা লাগিয়ে কাজ করছিলেন। চলতি বছরের ২৫ জুলাই আবুধাবির আলাইন শহরে ডিউটিরত অবস্থায় একটি গাড়ি স্টিলের একটি রেডিমেড ঘরে ধাক্কা দিলে ঘরটি ভেঙে আজাদের উপরে পড়ে। আঘাতে ঘটনাস্থলেই আজাদ মারা যান। এর পর থেকেই আবুধাবির খলিফা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে তার লাশ।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের প্রবাসী কল্যাণ শাখার দায়িত্বরত মৌসুমী আক্তার বলেন, বিদেশ থেকে লাশ আনার বিষয়ক কাজ আমাদের শাখায় হয় না। এটা আমাদের অধীনস্থ কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের মাধ্যমে করানো হয়।

মৌলভীবাজার জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বৈধ শ্রমিক বিদেশে মারা গেলে তার লাশ দূতাবাসের মাধ্যমে আনার ব্যবস্থা করা হয়। এক্ষেত্রে আমাদের অফিসে এসে আবেদন করলেই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে অবৈধভাবে বিদেশ গেলে সেটা আমরা করতে পারবো না কারণ যারা অবৈধভাবে যান তাদের ডাটা থাকে না আমাদের কাছে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন