দুইদিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক উৎসব: প্রথম দিন ছিল দর্শক খরা

প্রকাশিত : ২১ জুলাই, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক :  সিলেট জেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত দুইদিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক উৎসবের প্রথম দিন ছিলো দর্শক খরা। গত শুক্রবার রিকাবী বাজারস্থ কবি নজরুল অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের আগে থেকে কোন প্রচার প্রচারণা ছিলো না।
জেলা প্রশাসন আয়োজনে থাকলেও মূল দায়িত্ব ছিলো শিল্পকলা একাডেমির। অনুষ্ঠান আয়োজনের শুরু থেকেই দেখা দেয় হযবরল অবস্থা। সিলেট শিল্পকলা একাডেমির বিতর্কিত কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্তের অযোগ্যতাই অনুষ্ঠানটির এমন দশা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনুষ্ঠানে আগত সুধী জন।
দুইদিন ব্যাপি সাংস্কৃতিক উৎসব নিয়ে গত বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলনের। কিন্তু এই অসিত বরণ দাশগুপ্ত কোন সাংবাদিককেই সংবাদ সম্মেলনের দাওয়াত দেননি। প্রেসক্লাব সমুহে পাঠাননি কোন চিঠি। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে কোন সাংবাদিকই উপস্থিত হননি। এমন পরিস্থিতিতে জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক জুলিয়া যেসমিন মিলি তাৎক্ষনিকভাবে যোগাযোগ করেন সাংবাদিকদের সাথে। সময়ও ঘন্টাখানেক পেছানো হয়। এর পরও সংবাদ সম্মেলনে মাত্র ৬ জন সাংবাদিক উপস্থিত হন। ২০১৬ সালে বিতর্কিত কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্তের হাতে ‘অপমান ও লাঞ্ছিত’ হন সিলেটের প্রবীণ এক সংগীতশিল্পী।এ ছাড়া ঐসময় তিনি জড়িয়ে পড়েন নানান অনৈতিক কর্মকান্ডে।ফলে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন সিলেটের সাংস্কৃতিক কর্মীরা। তার বিরুদ্ধে মানববন্ধনও করা হয়। আর সাংস্কৃতিকর্মীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ২০১৬ সালের ৩০ শে জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাঁকে হবিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে শাস্তিমুলক বদলি করেন। অদৃশ্য এক শক্তির বলে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি আবারো সিলেটে চলে আসেন। এরই মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অধীনে ২০-২১ জুলাই সারাদেশে সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। আর সিলেটে এর দায়িত্ব পড়ে এই বিতর্কিত কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্তের উপর।
খোজ নিয়ে জানা যায়, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি নিয়ে তেমন কোন প্রচার প্রচারনা শহরে দেখা যায়নি। অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে সচেতন মহলের অনেকেই অবগত নন। ফলে শুক্রবার অনুষ্ঠান শুরুর ঘন্টাখানেক পর পর্যন্তও অডিটরিয়ামের নির্দিষ্ট চেয়ারের সিংহভাগই খালি ছিলো। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ সিলেটের সাংস্কৃতিকর্মীরাও।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সাংস্কৃতিকর্মী বলেন, সরকার এই অনুষ্ঠানটিতে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করছে। সেখানে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্তের অবহেলা ও গাফিলতির কারনে অনুষ্ঠানে লোক সমাগম কম হয়েছে। কি কারনে যে এই বিতর্কিত অসিত আবারো সিলেটে আসলো তা আমাদের বোধগম্য নয়। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত বলেন, অনুষ্ঠানে জনসমাগম হয়েছে। আমি গত ১১ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ থেকে আবারো সিলেটে এসেছি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

মুজিববর্ষ উপলক্ষে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে চিত্রপ্রদর্শনী

         মুজিববর্ষ উপলক্ষে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে চিত্র...

ম্যাজিশিয়ানস সোসাইটি অফ বাংলাদেশের ম্যাজিক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

         বাংলাদেশের জাদুশিল্পীদের সংগঠন “ম্যাজিশিয়ানস সোসাইটি...

লিডিং ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগেরক কর্মশালা

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: লিডিং ইউনিভার্সিটির...