তিনি একজন কবি

,
প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০১৮     আপডেট : ৩ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোহাম্মদ আব্দুল হক: প্রকৃত সত্য হলো কোনো মানুষের দ্বারা এপর্যন্ত হয়ে ওঠা সৃষ্টি নিয়ে আলোচনা করে তাঁর সম্পর্কে চূড়ান্ত মূল্যায়ন পত্র উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। এর জন্যে তাঁকে মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষার শেষ ক্ষণ গুনতে হবে। এর অর্থ হলো তিনি কবি, গবেষক কিংবা অন্যকোনো সৃষ্টিশীল মানুষ হলেও তাঁর জীবনপথের মূল্যায়ন তাঁর জীবদ্দশায় কেউ ঠিক ভাবে করতে পারবে না। অতএব তাঁকে মরতে হবে যদি তিনি মনে করেন তাঁর আর দিবার কিছুই নেই। আত্মহত্যা আমার কামনার বিষয় নয় ; বরং কষ্ট হলেও সয়ে সয়ে দিয়ে যান আরো কিছু কবিতা, গল্প, গান। কবি কিংবা বিজ্ঞানী অথবা সমাজহিতৈষী কারো কথা তাঁর জীবদ্দশায় পূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে একটি প্রবন্ধাকারে বা গবেষণা পত্রে তুলে ধরতে চাইলে তা প্রকারান্তরে পক্ষপাত দুষ্টে দোষি হবে এবং এপর্যন্ত উদ্ভাসিত হয়ে ওঠা ওই নির্দিষ্ট মানুষটির খুব অল্পই তুলে ধরা হবে। হ্যাঁ, তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর সৃষ্ট বিশেষ এক খন্ডাংশ বা খন্ড খন্ড অংশ সময়কে কতোটা নাড়া দিতে পেরেছে তা নিয়ে আশাবাদী এক আলোচনা পত্র উপস্থাপন করা যেতে পারে ভবিষ্যতের পথ চেয়ে। কারণ তাঁর পথচলা শেষ হয়নি এবং এখনো তিনি আমি ও তুমিতে আটকে আছেন অল্প কিছু বাহবা, মারহাবা, হাততালি আর ফেসবুক লাইকে। তাঁকে ক্ষুধার্তের দ্বারে পৌঁছতে হবে আর ব্যর্থ প্রেমিকের মনে স্বপ্ন জাগানিয়া কথা আর সময়ের অশুভ চেহারা নিয়ে লিখে বিদ্রোহ করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাতে হবে মেকি আর তোষামোদি সীমানা ডিঙিয়ে। তাহলে আসুন এখন আমরা একজন কবি বেঁচে থেকেও তাঁর কাব্যচর্চা দ্বারা কতোটা মানুষ ছুঁতে পেরেছেন তা নিয়ে কথা শুরু করি।

আমার প্রবন্ধের ভিতরে যে মানুষটি আছেন তিনি একজন কবি। আজ তাঁকে নিয়ে বিদগ্ধ পাঠকের মাঝে যোগ দিতে পেরে মনে পুলক অনুভব করছি। তাঁকে কতোটা ভালোবাসি জানিনা। তবে তাঁর বেশকিছু সৃষ্টি আমাকে প্রভাবিত করেছে। তাই আমি শুভ্রাংশু কবিতা লিখতে পেরেছি। কবিতাটি আমার শুভ্রাংশু কাব্যে ঠাঁই পেয়েছে। কবি কালাম আজাদ বাংলা সাহিত্যাকাশে শুভ্রাংশু। তাঁর লেখা সমসাময়িক অনেক প্রকাশিত লেখকের চেয়ে অধিক মানব প্রেমী। তাঁকে নিয়ে নিবন্ধ লিখতে বসেছি কয়েকবার। পারিনি এখনও। আমি তাঁকে পেয়েছি কিন্তু কৃষকের ছেলেটি আজও পায়নি। অনেকে মজেছেন কিন্তু এখনো টিলাগড় ইকো পার্কে প্রেমিক প্রেমিকা তাঁকে না পেয়ে প্রেমের নির্ঝাস থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তাই কেউ কেউ তাঁকে তারকা বলতেও পারেন, তবে আমি বলি শুভ্রাংশু। আমার বিশ্বাস তাঁর সৃষ্টি সমূহ ব্যাপক প্রচার পেয়ে কালোত্তীর্ণ হবে এবং তখন তিনি বাংলা সাহিত্যাকাশে এক উজ্জল নক্ষত্র হয়ে ঝলমল করবেন। কবি কালাম আজাদের জীবনপথ একেবারে ছোটো নয়। তাঁর জন্ম, পরিবার, ধর্ম, শিক্ষা, বিবাহ, কর্মজীবন, সাহিত্যজগত এবং সামাজিকতার ক্ষেত্র বিস্তৃত, বর্ণীল এবং মৃত্তিকার মায়ায় জড়ানো। এ প্রবন্ধ পাঠে আমরা তাঁর সম্পর্কীয় কিছুটা ধারনা পেয়ে যাবো। এখানে খুঁজে নিয়েই আমরা সমসাময়িক সহযাত্রী তাঁকে আগামীর সন্তানদের হাতে তুলে দিবো। জীবন ও সাহিত্য মাঠের শিল্পিত ক্যানভাসে তিনি আঁকা হয়ে আছেন।

একটি একটি করে গুনলে কবির কবিতার সংখ্যা এপর্যন্ত কয়েকশত যা প্রকাশিত। কবির সাথে মাঝে মাঝে কথা বলার সুযোগ হয়। তখন কিছু নতুন কবিতা তাঁর মুখে আবৃত্তি শুনি আর মুগ্ধ হই। ধারনা করছি, তাঁর প্রকাশিত এবং অগ্রন্থিত কবিতা হাজার ছাড়িয়েছে। কবির কবিতার বই একটি একটি করে অনেকটি প্রকাশ হয়েছে। হ্যাঁ তাঁর একেকটি কাব্য আলো ছড়ায় তারকাসম। আর তাঁর কাব্যসমগ্র ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম’ তাঁকে তারকাপুঞ্জ হিসাবে পাঠকের কাছে তুলে ধরেছে। তাঁর ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম’ তাঁর সৃষ্টির শেষ নয়। আমরা পায়রা প্রকাশ থেকে প্রকাশিত তাঁর ‘বায়বীয় শব্দমালা’ পেয়েছি কেমুসাস বইমেলা ২০১৮ খ্রীষ্টিয় সালে। এখানে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, যদি বলেন কবির কবিতা আপনাকে বুঝাবো বা বুঝাচ্ছি তা হবে আমার জন্যে ধৃষ্টতা। আপনি পড়লে আপনিই বুঝবেন। কবির প্রতিটি কাব্যের কিছু কিছু কবিতা আমি পড়েছি এবং এসব কবিতা আমাকে জানিয়ে দিয়েছে কবি কালাম আজাদ একজন মননশীল মানুষ, ধৈর্য্যের বটবৃক্ষ, সমাজের দুষ্ট ক্ষতের প্রভাবে হতাশায় আক্রান্ত মজলুম মানুষের আশা জাগানিয়া শুভ্র আলোক। তবে কবির দীর্ঘ জীবন কামনা করে এখানে ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম’ হাতে গন্ধ শুঁকে শুঁকে একজন আপাদমস্তক কবির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় আমি আছি।

আমি বা আমরা যারা সিলেট আছি তারা ঢাকার খবর যে একেবারেই রাখিনা এমনকিছু বলা যাবেনা। আবার আমি এও দেখেছি, এই একবিংশ শতকের প্রথমদিকে ঢাকায় বসেও যারা সারা বাংলায় সাহিত্যগাড়ি হাঁকিয়ে বেড়িয়েছেন তাঁরাও কবি কালাম আজাদকে চিনতে ভুল করেননি। কবি নির্মলেন্দু গুণ ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম বিবেকী পাঠের স্বর্ণরেণু’ তে যে মন্তব্য করেন তা প্রণিধান যোগ্য, ‘ মৃত্তিকার ছাইভস্ম নামে তাঁর একটি ঢাউস কাব্যসমগ্র প্রকাশিত হয়েছে ঢাকার উৎস প্রকাশন থেকে। আমি তো অবাক। বাঙালি কে যে কবি আর কে যে নন – বলা মুশকিল। আগে পড়িনি – লন্ডনে বসেই তাঁর কাব্যগ্রন্থের কিছু কবিতা পড়া হলো। অত্যন্ত রসসমৃদ্ধ কিছু কবিতার সন্ধান মিললো সেখানে।’ এদিকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাসাহিত্যের সেবক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম’ নিয়ে কবি কালাম আজাদকে মূল্যায়ন করেছেন এভাবে, ‘ কবিতাগুলো পড়ার সময় একটা বলীয়ান ও শক্তিশালী জীবনবোধের স্পর্শে আত্মা শক্তি পায়। জাগ্রত হয়।’ আমাদের কবি লাভলী চৌধুরী, সিলেটেই যাঁর বাড়ি, তিনি বলেন, ‘আসলে আমি নিজেই মুখচোরা মানুষ। নিজের লেখা নিয়ে সর্বদাই বিব্রত। কিন্তু ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম’ র বিরাট সম্ভার হাতে নিয়ে শুধু আড়ষ্ট, অভিব্যক্তিহীন হয়ে পড়েছি।’ আমাদের এই কবিকে আমি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে দেখেছি এবং সাহিত্যসভা ও বাঙালির একান্ত নিজস্ব সাংস্কৃতিক উৎসবে আমি তাঁকে দেখেছি। আমি কবি কালাম আজাদকে প্রায় সর্বক্ষেত্রেই একজন মুসলমানের উদারতার বৈশিষ্ট্যে পেয়েছি তাঁর পোশাকে ও কথায়। তিনি ব্যক্তিগত আলোচনার টেবিলে কথা বলেছেন। সম্পর্কে আমার বেয়াই হিসেবে যেমন দেখেছি, তেমনি একজন সামাজিক মানুষ হিসেবে তাঁকে যথেষ্ট যুক্তিবাদি হিসেবে এপর্যন্ত পেয়েছি। তবু লাঠিতে ভর দিয়ে চলা একজন পরিনত বয়সী কবি হিসাবে তাঁর কাছে আমার চাওয়া আরো বেশি। তাই আমি আমার ‘শুভ্রাংশু’ কাব্যে ‘সেই কবি চাই’ কবিতায় মূলত তাঁর কাছে প্রত্যাশা রেখেছি : “তোমার অধিক বয়সের দোহাই দিয়ে / লাঠিতে ভর করে সবকাজ পারো / তুমি রাজন ও তনুকে বাঁচাতে পারোনা / তোমার হাতের লাঠি তোমাকেই নিয়ে চলে, / ফেলে দাও সমাজের দান এই লাঠিখানি / আর ঘরেই থাকো বউয়ের শাড়ির জমিনে।” এছাড়া আমি কবিকে জানি, তিনি কুসংস্কারাবিষ্ট নয়। কবি কালাম আজাদের অনুজ কবি বাছিত ইবনে হাবীব যথার্থই বলেন, ‘ যুক্তিবাদিতা, মানবিকতা এবং কুসংস্কারমুক্ত সমাজ – এই তাঁর স্বপ্ন। তিনি একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান।’ এভাবে সারাদেশ থেকেই কবিকে মূল্যায়ন করেছেন, সম্মান দেখিয়েছেন কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচকগণ।

‘তিনি একজন কবি’ শিরোনামের প্রবন্ধের মূলে আছেন প্রকাশিত কবি কালাম আজাদ যাঁর পারিবারিক নাম মোঃ আবুল কালাম খান আজাদ। তাঁর জন্ম সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ফুলতলী গ্রামের এক ধর্মপ্রাণ পরিবারে ১৯৪৭ খ্রীষ্টিয় সালের ১৬ আগষ্ট। এখন ২০১৮ খ্রীষ্টিয় সালে তাঁর বয়স ৭১ বছর। তাঁর পিতা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান খান ও মাতা আয়েশা চৌধুরী এষা। তিনি বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ খ্রীষ্টাব্দে ইতিহাস বিভাগে বিএ (অনার্স) এবং ১৯৭৩ খ্রীষ্টাব্দে মাস্টার্স ডিগ্রি প্রাপ্ত হন। ১৯৭৬ খ্রীষ্টাব্দে ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৭৮ খ্রীষ্টাব্দে একই কলেজের প্রিন্সিপাল হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে টানা ৩৩ বছর ওই কলেজে দায়িত্ব পালন শেষে ২০০৯ খ্রীষ্টাব্দে অবসর নেন। তবে গুণি মানুষের কদর কমেনা। তাই ২০০৯ খ্রীষ্টাব্দেই সিলেটবাসী তাঁকে রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হিসেবে পায়। পরবর্তীতে তিনি ২০১০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে সিলেটের সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজে প্রিন্সিপাল হিসেবেই কর্মে নিয়োজিত আছেন। ১৯৭৭ খ্রীষ্টাব্দে বিয়ে করেন, স্ত্রী রোকসানা আজাদ রীনা। কবি কালাম আজাদ দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। সংক্ষেপে এই হলো কবির ব্যক্তিগত, পারিবারিক, শিক্ষা ও কর্মময় জীবন।

আলোচ্য কবিকে পরিপূর্ণ মূল্যায়নের সময় শেষ হয়নি এবং তা চলবে বহুযুগ ধরে। এই মৃত্তিকার উপর কবি সশরীর আছেন, তাই প্রত্যাশা আমাদেরকে দিবেন আরো বেশি। তবে এপর্যন্ত তাঁর ‘মৃত্তিকার ছাইভস্ম’ খুঁজে পাই, এতে ‘সম্পাদক সমীপে’ , ‘নগ্নতার নিজস্ব প্রতিমা’, ‘সুভদ্রা গোল্লায় যাও’, ‘সাদাসিধে পদ্য’, ‘মরমে আমার মরমিয়া’, ‘শাদিয়ানা পুথি’ ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থের সকল কবিতার মূল্যবান সম্পদ। কবির সমগ্র সৃষ্টি পাঠকের কাছে তুলে ধরার সাধ্য আমার নাই জেনেও কাগজ কলম হাতে নিয়েছি কবির লেখা ভালোবেসে। কারণ আমার মনোজগতের চাওয়া অনেক কথাই কবির লেখায় পাই। হ্যাঁ জানি, কবির কবিতা আমি যেভাবে বুঝেছি ঠিক তেমনি অন্যকে বুঝানো সম্ভব নয়। কবিতা বারবার পড়ে নিজে বুঝে নিতে হয়। আমি বুঝেছি, সত্যানুসন্ধিৎসা তাঁর এক বৈশিষ্ট্য, তাই ‘সুভদ্রা গোল্লায় যাও’ কাব্যে ‘শয়তানের জয়শাস্ত্র’ কবিতায় তিনি বলেন, “দুঃখের দিনলিপি যে লিখে লিখুক / আমি তা লিখি না / শয়তানের জয়শাস্ত্র, যে শিখে শিখুক / আমি তা শিখি না।” কবি বাংলার কৃষক ও মজুরের স্বজন। তাই ‘সম্পাদক সমীপে’ গ্রন্থে তাঁর লেখা পাই, ” সম্পাদক, বিশ্বাস করুন / ডুব ও সাঁতার দিয়ে / উঠতি পানির গভীর থেকে / ফসল ছিনিয়ে আনা যে কবি দেখেনি / সে বাংলার মজুরের, কৃষকের কবি / হতেই পারে না।” অধিক মানবপ্রেমিক গুণ আছে বলেই খুব নিবিড়ভাবে কৃষকের শ্রমঘনিষ্ট জীবনী তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে। কবি কালাম আজাদ শুধু দেশচিন্তায় থাকেন নি; বরং তাঁর ভাবনায় বিশ্বশান্তির কথা পাওয়া যায়। তাঁর ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য আবেদন’ সময়ের এক বিখ্যাত কবিতা মনেকরি। দেশে দেশে মারনাস্র প্রতিযোগিতার জন্যে মানবতা আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে। তিনি এর বিরোদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, ” যুদ্ধ চাই, যুদ্ধ চাই, যুদ্ধ চাই / যুদ্ধ শব্দের মৃত্যুর জন্যে / যুদ্ধের বিকল্প কিছু নাই।”

সর্বাঙ্গ কবি পরিচয়ের এই মানুষটি গল্প লিখেছেন আমাদের জন্যে। তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘শেষের আলোয় সিক্ত শিশির’।সুপ্রিয় পাঠক, এভাবেই তিনি বাংলা সাহিত্যাকাশে শুভ্রাংশু কবি কালাম আজাদ। কবির সত্তর তম জন্মদিবসে তাঁকে নিবেদিত আমার কবিতা ‘শুভ্রাংশু’ থেকে পঙতিমালা, “ভালোবাসি কবি ভালোবাসা / দুই হাতের মুঠোয় ধরে / শব্দের ঝুড়ি / বাক্যের মালা / কবি তোমাকে দিলাম / শুভ জন্মদিন কবি শুভ্রাংশু / আবারও শুভ জন্মদিন।” প্রত্যাশা রাখি তিনি মহাকালে ছুটে বেড়াবেন তাঁর সৃষ্টির গতিময়তায় এবং মানবিক গুণে তিনি রবেন মানবের সুন্দরের প্রতীক হয়ে । তিনি একজন কবি, তিনি মানুষের জন্যে, তিনি মঙ্গলের জন্যে, তিনি প্রেমিক – প্রেমিকার জন্যে।।
# লেখক _ মোহাম্মদ আব্দুল হক
01814093240


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

সবুজ শ্যামল ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: দক্ষিণ সুরমা...

শহীদ জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রবিবার

9        9Sharesমহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের...

সিলেট লালদিঘী মুদ্রণ শিল্প ব্যবসায়ী সমিতির কমিটি গঠন

5        5Sharesসিলেট লালদিঘী মুদ্রণ শিল্প ব্যবসায়ী...