তারাবির নামাজ প্রসঙ্গে

,
প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০১৮     আপডেট : ৪ বছর আগে

কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল: ওলামায়ে কেরামদের প্রতি সম্মান রেখে আমার একটা মতামত প্রকাশ করছি। আমি কোনো মাদরাসায় লেখাপড়া করিনি। তাই আপনাদের কাছ থেকে জানতে চাই, তারাবির নামাজের ব্যাপারে। ছোটবেলা গ্রামের মসজিদে সুরা তারাবির নামাজ পড়েছি। আধাঘন্টার মধ্যে সাধারণত নামাজ শেষ হয়ে যেত। তাতে করে ভালো দিক যেটা হলো, নামাজে মোটামুটি মন বসতো। সুরাগুলো মনোযোগের সহিত শুনতাম। কারণ নামাজ ছিল সংক্ষিপ্ত। যার দরুন মসজিদ ভরে যেত মুসল্লিদের ভিড়ে।

এখন খতম তারাবির রেওয়াজ চালু হওয়াতে ঘন্টা দেড়েক লেগে যায়। মুসল্লিরা নামাজে মনোযোগী হয় না। এমনকি বিরক্তবোধ করে। এমনও দেখেছি যাদের শারীরিক সমস্যা তারা কেউ ৮ রাকাত পড়েন। আবার কাউকে নামাজের সারিতে বসে থাকতে দেখা যায়। ইমাম সাহেব রুকুতের যাবার সামান্য কিছু আগে তারা দাঁড়িয়ে নামাজে শরীক হন। এসব কিছুর কারণ হচ্ছে নামাজ দীর্ঘায়িত হওয়া। অর্থাৎ খতম তারাবির কারণে। এখন ওলামায়ে কেরামদের কাছে আমার প্রশ্ন হলো, সুরা তারাবিতে মুসল্লিরা বেশি হন এবং মনোযোগের সহিত নামাজ পড়েন। তাহলে কোন নামাজটি পড়া ভালো হবে? যেহেতু সুরা তারাবি আদায় করলে রোজার কোনো সমস্যা হয় না অতএব সুরা তারাবি পড়লে সমস্যা কোথায়?

আপনারা কেন সুরা তারাবি পড়ার জন্য উৎসাহিত করেন না? আশা করি আগামীতে আমাদের সমাজে সুরা তারাবি চালু করা হবে।

কুবাদ বখত্ চৌধুরী রুবেল
কবি, কলামিস্ট ও গীতিকার
গ্রাম: গণিপুর, পুরান বাড়ি
জকিগঞ্জ, সিলেট।
০১৯২৬১৪৯২৬৯


আরও পড়ুন

মোটরসাইকেল থেকে পড়ে সচিবের বোনের মৃত্যু

 সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মোটরসাইকেল থেকে...

তাহিরপুরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

  তাহিরপুরে ট্রলি ও মোটরসাইকেলের...

ট্রেনের টিকিট সহজেই পাওয়ার টিপস

 আব্দুস সাত্তার: ঈদের অগ্রিম টিকিটের...