জাফলংয়ে উজ্জল হত্যায় আসামিদের স্বীকারোক্তি

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২০     আপডেট : ১২ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র জাফলংয়ে ফটোগ্রাফার উজ্জ্বল হত্যাকান্ডে আদালতে আসামিদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে। গতকাল সোমবার দুপুর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি গোয়াইনঘাট মোঃ আব্দুল আহাদ আটক দুই আসামিকে সিলেট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (অঞ্জন কান্তি দাস) ২য় আদালতে হাজির করলে ফোঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক আসামিদ্বয় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এরপরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। নিহত উজ্জ্বল’র পিতা আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে দুই হত্যাকারী এবং হত্যাকারীদের পালাতে সহায়াতাকরী ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আসামি করে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং (৭) তাং- ৭-১২-২০ইং। অপরদিকে উজ্জ্বলের ময়না তদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে জাফলং রসুলপুর গ্রামের বাড়িতে লাশ নিয়ে পৌছলে সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা সৃষ্টি হয়। স্বজনরা উজ্জ্বল উজ্জ্বল নাম বলে কাঁদতে কাঁদতে বার বার মুর্চা যাচ্ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে গেছে। সোমবার বাদ এশা জাফলং বিজিবি ক্যাম্প জানাজা শেষে গ্রামের পঞ্চায়েতি কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। রোববার রাতে ঘটনার খবর শুনে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম নিহত উজ্জ্বলের পরিবারে নগদ ২০হাজার টাকা আর্থিক সহায়াতা প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে গত রোববারে পর্যটকবেশী দুই ছিনতাইকারীর ফটোগ্রাফার উজ্জ্বলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় দুই দুবৃত্ত। রোববার দুপুরে জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকার অদূরে মায়াবী ঝর্ণায় হত্যাকান্ড ও ছিনতাইয়ের এ ঘটনা ঘটে। নির্মম এ হত্যাকান্ডের শিকার ওই ফটোগ্রাফারের নাম উজ্জল মিয়া (১৩)। সে উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে এবং স্থানীয় জাফলং আমির মিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। দিন দুপুরে একজন ফটোগ্রাফারকে হত্যা করে তার ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পর্যটন কেন্দ্র জাফলংয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে হত্যাকারীদের পালাতে সহায়তাকারী ট্রাক চালক ও হেলপার রয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে নিহত ফটোগ্রাফার উজ্জলের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন এবং হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা ১টি ছোরা উদ্ধার করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জের ধরমপুর গ্রামের সৈয়দ নুর’র ছেলে এহসান মিয়া ও একই গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে খসরু মিয়া, বিয়ানীবাজার উপজেলার নওয়াগাওয়ের নুর মিয়ার ছেলে চালক রায়হান এবং একই গ্রামের আলী নুরের ছেলে হেলপার ওলিউর রহমান। জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আহাদ জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক, এব্যাপারে থানায় মামলা রের্কড হয়েছে, ধৃত আসামিদের মধ্যে মুল অভিযুক্ত ২জনকে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (অঞ্জন কান্তি দাস) ২য় আদালতে ফোঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে এবং তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

Aa


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

ফেলোশীপ’র জন্য কাদের তাপাদার ও সেলিম আউয়াল মনোনীত

        সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশীপ ২০১৮ পাচ্ছেন...

অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়াল জেএমজি এয়ার কার্গো

        জেএমজি এয়ার কার্গো আমেরিকার উদ্যোগে...