জাতীয় মহিলা সংস্থা হবিগঞ্জ জেলা কমিটির চেয়ারম্যান হলেন প্রিন্সিপাল ইসমত আরা জলি

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২০     আপডেট : ৩ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস  ডেস্ক :: জাতীয় মহিলা সংস্থা হবিগঞ্জ জেলা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রিন্সিপাল ইসমত আরা জলি
মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সম্প্রতি তাকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন ১৯৯১ (১৯৯১সনের ৯নং আইন) এর ১০ ধারার (৩) উপ-ধারা (১) (ঘ) (ঙ) ও (ছ) মোতাবেক স্বারকনং ৩২,০০.০০০০.০৩৮,০৬,০০১,১৮.৩৮ তারিখ ১৬/৬/২০২০ ইং তারিখে জাতীয় মহিলা সংস্থা হবিগঞ্জ শাখার ৫সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ও এই পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তিন কন্যা সন্তানের জননী ইসমাত আরা জলি দীর্ঘ দিন থেকে নারীর জীবন মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তার নিজ উদ্যোগে হবিগঞ্জ জেলায় একাদিক সমবায় সমিতি প্রতিষ্টা করেন।
ছাত্র জীবনের শুরু থেকে ছাত্র রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণের লক্ষে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি তিনি তার কনিষ্ট ৪ বোনকেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মন্ত্রে উজ্জীবিত করেন। যার ফলশ্রুতিতে তার ৪ বোনের ২ বোন সরকারি শিক্ষ প্রতিষ্টানে শিক্ষিকা হিসেবে ,একজন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার আরেক বোন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত।
স্বাধীনতাউত্তর হবিগঞ্জ জেলায় যে কয়জন নারী ঘরের চার দেয়ালের গন্ডি পেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছিলেন ইসমত আরা জলি তাদের অন্যতম।হবিগঞ্জের শহরের ঐতিহ্যবাহী দি রোজেসের স্কুলের প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত ইসমাত আরা জলি বীর মুক্তিযুদ্ধা ডাক্তার এম এ রব এবং ৩ (প্রবাসী )কন্যা সন্তান এবং তাদের জামাতা ,নাতি ,নাতনি নিয়ে অতিবাহিত করছেন সুখের সংসার।
সামাজিক মাদ্ধমে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষাবিদ হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ‌প্রিন্সিপাল ইসমত আরা জলি এবং যারা তার উপর আস্তা রেখে এই দায়িত্ব প্রদান করেছেন সকলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য : জাতীয় মহিলা সংস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান । এই প্রতিষ্ঠানটি গঠনের পটভূমি হিসেবে স্বাধীনত্তোর বাংলাদেশের নারী সমাজের দূরাবস্থার প্রেক্ষাপট একটি অন্যতম কারন । স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী বাংলার অগনিত নারী তাদের অসামান্য অবদান রেখেছেন । তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহন করে এ দেশকে স্বাধীন করেছেন।যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশে এ সকল ক্ষতিগ্রস্থ মহিলাদের পূনর্বাসন করা জরুরী ছিল । স্বাধীনতা যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ নারীদের পুনর্বাসন ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালে “নারী পুনর্বাসন বোর্ড” গঠনের মাধ্যমে শুরু হয় মহিলাদের প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রা। নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার রক্ষা, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মহিলাদের সার্বিক উন্নয়ন ও তাদের অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে একটি সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করার জন্য সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ প্রদান করেন । তৎপ্রেক্ষিতে একটি মহিলা সংস্থার রুপরেখা প্রণীত হয় । যা ১৯৭৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী জাতীয় মহিলা সংস্থা নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরর্বতীতে সংস্থার কার্যক্রমকে ফলপ্রসূ ও জোরদার করার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ৪ঠা মে তারিখে ৯ নং আইন বলে জাতীয় মহিলা সংস্থার একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রুপ নেয় ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : পবিত্র...

ডা. ইব্রাহিম আলি’র ইন্তেকাল

1K        1KSharesরাগিব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ, সিলেট...

সিলেটে স্বেচ্ছাসেবক দলের তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : বিএনপি...

ওসমানী বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা

         চীনের ‘রহস্যময় প্রাণঘাতী’ নতুন এক...