জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ জনপ্রতিনিধির

,
প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১     আপডেট : ১ মাস আগে
  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    12
    Shares

জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ঘায়েল করতে পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদেরকে বিভিন্ন হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন কানাইঘাটের লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আলাউদ্দিন আহমদ। গতকাল বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলাম। গত ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে এলাকাবাসীর অকুন্ঠ সমর্থনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২য় স্থান অর্জন করি। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার যে কোন সমস্যা বা গ্রাম্য সালিশ-বৈঠকে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে থাকি। এসব কারণে এলাকার এরালিগুলের আব্দুর রব, নাজিম উদ্দিন ও নারায়নপুরের মোস্তাক আহমদদের গাত্রদাহ হয়। আমার জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে। আমাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ঘায়েল করার জন্য আমার পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদেরকে বিভিন্ন হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।
তিনি বলেন, গত বছরের ৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০ টার দিকে এরালিগুলের নজরুল ইসলাম ওরফে নজই মিয়াকে লোহাজুরী-মিকিরপাড়া রাস্তায় এরালিগুলের কুটন মিয়ার বাড়ির পাশে খুন করা হয়। খুন হওয়া নজরুল ইসলাম আব্দুর রবের খালু। ঘটনার দুইদিন পর নিহত নজরুল ইসলামের ছেলে দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজহারে তিনি বলেছেন তাদের বাড়ির জায়গাসহ জমি-জমা নিয়ে তার আপন চাচা নুরুল ইসলাম ও শফিকুল হকদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জের ধরে তার বাবাকে খুন করেছেন তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা। হত্যা মামলায় আপন চাচা নুরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে এবং অপর চাচা শফিকুল হককে ১৩নং আসামি করেন। এছাড়া শফিকুল হকের ছেলে শরিফ উদ্দিন, আলাউদ্দিন, আশিক উদ্দিন ও শহিদ উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার ছেলে ও এলাকার কয়েকজন যুবককে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আসামি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান আলাউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আব্দুর রব, মোস্তাক আহমদ ও নাজিমদের যোগসাজসে প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে আমার ছেলে জুনেদ আহমদ, মিকিরপাড়ার কালা মিয়ার ৪ ছেলে সেলিম, শাহীন, মাহিন ও আব্দুল কাইয়ুম এবং মৃত আলাউর রহমানের ছেলে মাওলানা ফখর উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে। নজরুল ইসলাম যেদিন খুন হয়েছিলেন ওই দিন আমাদের এলাকায় জামেয়া ইসলামিয়া মিফতাহুল উলুম লোহাজুরী মাদ্রাসায় ওয়াজ মাহফিল ছিল। ঘটনার সময় আমার ছেলে জুনেদ মিকিরপাড়ার সেলিম, আইনুল হক, এরালিগুলের সালেহ আহমদ ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছিল। যা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ একটি অবগতি পত্র দিয়েছে। আব্দুর রব, নাজিম ও মোস্তাক গংরা দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করে আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ভয়ে এলাকার কোন মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এসব দুষ্ট প্রকৃতির লোকজন তাদের অপরাধ কর্মকান্ডের নিরাপদ আস্তানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য এলাকার নিরীহ মানুষদেরকে নানাভাবে হয়রানি করে থাকে। এ সময় বিভিন্ন সময়ে তাদের করা বেশ কয়েকটি মিথ্যে মামলার কথাও উল্ল্যেখ করেন। এ বিষয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন মহল বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।


  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    12
    Shares

আরও পড়ুন

কুরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক :  কুরআন...

মনিপুরী ছাত্র সমিতির ৩৪তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী ও ছাত্রছাত্রী সংবর্ধনা

         বিভিনড়ব আনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে বাংলাদেশ মনিপুরী...

সার্বজনীন বিশ্বাসের আলোকে সাহিত্য চর্চা করতে হবে

         মো. আব্দুল বাছিত: অধ্যক্ষ কবি...

খুনীদের গ্রেফতারের দাবী জানালেন আরিফ

         সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ...