চুনারুঘাটে প্রেমিকাকে স্ত্রীর সামনেই ধর্ষণের পর হত্যা

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০     আপডেট : ১ সপ্তাহ আগে
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

সিলেট এক্সপ্রেস স্ত্রীর সামনেই প্রেমিকা মিষ্টিকে ধর্ষণ করে আফসার। তারপর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো কাঁচি দিয়ে মিষ্টির গলায় আঘাত করে আফসার। এরপর প্রেমিকার নিথর দেহ একটি খোলা ধানক্ষেতে ফেলে চলে যায় সে। পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এ ধরনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের পাচারগাঁও গ্রামের আ. খালেকের পুত্র আফসার। গত বুধবার জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ। এ সময় চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা চম্পক দাম উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ৭ই ফেব্রুয়ারি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের চাটপাড়া গ্রামের কাছে যুগীর আসন টিলায় অজ্ঞাতনামা মহিলা (২২)-র যে মরদেহ পাওয়া যায় সেই মরদেহ রুকসানা আক্তার মিষ্টি নামের এক তরুণীর। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার কামালপুর গ্রামে। তার বাবার নাম খুর্শেদ আলী মজুমদার। মিষ্টি সিলেটের মৌলভীবাজারে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধির কাজ করতো। মিষ্টির সঙ্গে চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের পাচারগাঁও গ্রামের আ. খালেকের পুত্র বিবাহিত আফসারের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলে আফসারের স্ত্রী রিপার সঙ্গে তার বিরোধ বাধে। একপর্যায়ে স্ত্রী রিপার মান ভাঙাতে চেষ্টা চালায় আফসার। স্ত্রী রিপা শর্ত দেয় ‘তুমি যদি মিষ্টিকে মেরে আসতো পারো, তাহলে আমাকে ফিরে পাবে নচেৎ নয়।’ স্ত্রী রিপার শর্তের প্রতি সমর্থন দিয়ে আফসার মিষ্টিকে মৌলভীবাজার থেকে সঙ্গে নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জের গোলচত্বরে আসে। এখানে আফসারের স্ত্রী রিপা আগে থেকেই দাঁড়িয়েছিল। পরে স্ত্রী রিপা, প্রেমিকা মিষ্টিকে নিয়ে সে পাচারগাঁও গ্রামে তার মায়ের বাড়িতে আসে। খারাব শেষে তারা মৌলভীবাজার ফিরে যাবার কথা বলে বিদায় নিয়ে চাটপাড়া গ্রামের কাছে যুগীর আসন টিলা নামক স্থানে নিয়ে প্রেমিকা মিষ্টিকে সে ধর্ষণ করে। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায়।

মামলার তদন্তকারী অফিসার চম্পক দাম বলেন, বিগত ৭ই ফেব্রুয়ারি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের যুগীর আসন টিলা নামক স্থানে অজ্ঞাত যুবতীর মরদেহ দেখে এলাকার লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। পরে অজ্ঞাত যুবতীর মরদেহ বেওয়ারিশ হিসাবে কবরস্থ করে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়লে ওসি শেখ নাজমুল হকের নির্দেশে ব্যপক তদন্তে নামেন তদন্তকারী কর্মকর্তা চম্পক দাম। তদন্ত শেষে খুনি আফসার ও তার স্ত্রী রিপাকে আটক করা হয়। আটক আফসার ও রিপা বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ। সুত্র মানবজমিন 11.9.2020


  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

আরও পড়ুন

আব্দুল হক নুনু মিয়ার জানাযা সম্পন্ন

         নগরীর কাজিটুলার বিশিষ্ট মুরব্বী, কাজিটুলা...

সিলেট গোলাপগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

         আজ বুধবার গোলাপগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচন।...