গ্রামে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

,
প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০২১     আপডেট : ২ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মৌলভীবাজার জেলা শহরে করোনা সংক্রমণের সময় গ্রামের মানুষ কম আক্রান্ত হয়েছিলেন। সংক্রমণ প্রতিরোধে অনেক পরিবার শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। ফলে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। এখন জেলার গ্রামের প্রতিটি ঘরে করোনা উপসর্গ জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা ও গলা ব্যথার রোগী রয়েছেন। করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা দিলেই দুই-তৃতীয়াংশের আসছে পজেটিভ। তবে নমুনা পরীক্ষায় তাদের আগ্রহ কম।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রামের করোনা উপসর্গের রোগীরা স্থানীয় বাজারের কিংবা শহরতলীর ফার্মেসী থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন। আবার বিত্তশালীদের মধ্যে কেউ কেউ শহরের প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আশংকাজনক রোগীদের রেফার্ড করা হচ্ছে সিলেট কিংবা ঢাকায়। এই সুযোগে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র গ্রামের ফার্মেসীতে করোনার জন্য ব্যবহৃত ওষুধের দাম বাড়িয়েছে। এ নিয়ে তৎপর নয় জেলা ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়।
গতকাল বুধবার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী মৌলভীবাজারে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৬ জন। আক্রান্তের হার ৪৩ দশমিক ৪৫। চলতি বছরে জেলায় করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯’শ ৩৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। এর মধ্যে শুধু জুলাই মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫’শ ৬৩ জন, মারা গেছেন ২৫ জন। জেলার বাসিন্দা কিন্তু জেলার বাইরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মারা গেছেন আরো ৪৯ জন।
এ পর্যন্ত সদরে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭২৯ জন ও মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। শ্রীমঙ্গলে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯৮ জন ও মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। কমলগঞ্জে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৮ জন ও মৃত্যু হয়েছে ২ জন। রাজনগরে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮৪ জন ও মৃত্যু হয়েছে ৪ জন। কুলাউড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৮ জন ও মৃত্যু হয়েছে ৩ জন। বড়লেখায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩২ জন ও মৃত্যু হয়েছে ২ জন। জুড়ি উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭০ জন ও মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।
শহরতলীর চাঁদনীঘাট এলাকার এসকে ফার্মেসীর ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামান জানান, বিগত এক মাস যাবত গ্রামের জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা ও গলায় ব্যথার রোগী’র সংখ্যা বেড়েছে।
কুলাউড়া উপজেলার কটারকোনা বাজারের এক ফার্মেসী ব্যবসায়ী জানান, এখন করোনা উপসর্গের রোগীই বেশি। প্রতিদিনই তারা করোনা রোগের প্রাথমিক ঔষধ নিচ্ছেন।
কুলাউড়া উপজেলার মনসুরপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোপ্রাইটার অঞ্জন কান্তি দেব জানান, সম্প্রতি ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী করোনা উপসর্গ নিয়ে আসছেন।
সির্ভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ জানান, গ্রামের মানুষ সচেতন না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি না মানলে কোনো অবস্থাতেই এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

এম সি কলেজ মোহনার একযুগে পদার্পণ ও নতুন কমিটির অভিষেক

        ‘সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: উচ্ছ্বাসময় প্রাণচঞ্চলতার...

সাংবাদিক ইকবাল মনসুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

        সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: দৈনিক শ্যামল...

সকল লোভের ঊর্ধ্বে থেকে জনকল্যাণে কাজ করেছি

        সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট সদর...