গোয়াইনঘাটে বিন্নাকান্দি উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে সভা

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯     আপডেট : ১ বছর আগে

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি উচ্চবিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটাপর অপারেটর পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে গতকাল শনিবার বিকেলে বিন্নাকান্দি উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সর্বদলীয় ছাত্রসমাজের উদ্যোগে প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন হেলালের সভাপতিত্বে ও গোয়াইনঘাট উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা সাফওয়ান আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাংবাদিক মো. ইসলাম আলী।
অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি শাহজাহান সিদ্দিকী সাবুল, সিলেট ল’ কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক বন ও পরিষদ বিষয়ক স¤পাদক ছদরুল ইসলাম, গোয়াইনঘাট উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়াজ হাসান নান্না, গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সহসাধারণ স¤পাদক মারুফ আহমদ, ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আক্তার ফারুক, সিনিয়র সহসভাপতি এম. ওয়ারিস উদ্দিন, ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ স¤পাদক কামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক স¤পাদক মো. আলী আকবর, গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ছাদিকুর রহমান ছাদিক, গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রদল নেতা মো. এহিয়া, থানা ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমদ, জেলা তরুণ প্রজন্ম দলের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক নাজিম উদ্দিন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসাধারণ স¤পাদক রুবায়েল আহমদ হেলু, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রেদুয়ান আহমদ, সাকিল আহমদ ও সাইফুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বিন্নাকান্দি উচ্চবিদ্যালয়ে অফিস সহকারী পদে লোক নিয়োগে মারত্মক অনিয়ম-দুর্নীতি করা হয় বলে অভিযোগ করেন। বক্তারা বলেন, নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বমূল কর্মকান্ডে ফতেহপুর ইউনিয়নের ছাত্রসমাজ হতাশ। বক্তারা বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় শুধু নিজের নাম ও পিতার নাম জিজ্ঞাসাবাদ করে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। ২৬ জনের মৌখিক পরীক্ষায় কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে যোগ্য ঘোষণা করে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। শুধু নাম-ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করে নিয়োগবাণিজ্যের মাধ্যমে অন্য ইউনিয়নের ব্যক্তি বিশেষকে নির্বাচিত করা হয়েছে। আপত্তি জানানোর পরেও তড়িঘড়ি করে নিয়োগের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
বক্তারা বলেন, নিয়োগ কমিটির কারোরই ক¤িপউটার স¤পর্কে ধারণা নেই। বর্তমান কমিটির মেয়াদ গত মাসের ২৮ তারিখ পেরিয়ে গেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনি। বক্তারা অবিলম্বে এই নিয়োগ বাতিল করে বৈধভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে পুনরায় ফতেহপুর ইউনিয়ন থেকে নিয়োগ প্রদানের দাবি জানান। আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ফতেহপুরের ছাত্রসমাজ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।

পরবর্তী খবর পড়ুন : সার্বজনীন বৈশাখী উৎসব

আরও পড়ুন