গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল গ্রামের একটি ডোবা থেকে ফাহিমা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধুর রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ওই গৃহবধুর পরিবারের দাবী ফাহিমাকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে রাখে। শনিবার সকাল ১০ টায় সদর থানার ওসি মোঃ ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। ফাহিমা একই উপজেলার পইল উত্তরপাড়া গ্রামের জুয়েল মিয়ার স্ত্রী। ফাহিমার ভাই আমির আলী জানান, প্রায় ৪ বছর পুর্বে শহরতলীর এড়ালিয়া গ্রামের মৃত মহরম আলীর কন্যা ফাহিমা আক্তারকে বিয়ে দেওয়া হয় পইল উত্তরপাড়া গ্রামের মনজব আলীর পুত্র জুয়েল মিয়ার সাথে। বিয়ের পর বেশ কিছু দিন তাদের ঘরসংসার ভাল ভাবে কাটলেও সম্প্রতি তাদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াধি নিয়ে সৃষ্টি হয় কলহ। এনিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাধ লেগে থাকত। দুই বছর আগে জুয়েল কুমিল্লা চলে যায়। সেখানে ২য় বিয়ে করে টমটম চালিয়ে জীবকা নির্বাহ করে। বিষয়টি ফোনে জানায় জুয়েল ফাহিমাকে। এতে তাদের ঝগড়া আরও চরম আকার ধারণ করে। মাস খানেক আগে ২য় স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে কুমিল্লা থেকে বাড়িতে চলে আসে জুয়েল। বাড়িতে এসে সে ফের জুয়েল তার স্ত্রীর সাথে কলহের সৃষ্টি হয়। এনিয়ে ফাহিমা এবং জুয়েলের মধ্যে ঝগড়া আবারও তীব্র আকার ধারণ করে। জুয়েল প্রায়ই ফাহিমাকে মারপিট করত। বিষয়টি সে তাকে ফোন করে জানাত। গতকাল শনিবার সকালে ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। স্থানীয়রা জানান, জুয়েল ফোন করে তাদেরকে বলেছে যে ফাহিমাকে সে হত্যা করেছে। সে বর্তমানে কুমিল্লা রয়েছে বলেও সে জানায়। এ ব্যাপারে ওসি ইয়াছিনুল হক জানান, ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকান্ড। তবে পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং জুয়েল কে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। বিকেলে ময়না তদন্ত শেষে লাশটি পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। আরএমও বজলুর রহমান জানান, লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরবর্তী খবর পড়ুন : শাবিতে ধর্মঘটের ডাক

আরও পড়ুন