গুণগত মানে চা উৎপাদনে মডেল হতে পারি আমরা

প্রকাশিত : ১৬ মার্চ, ২০২০     আপডেট : ৪ মাস আগে

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে চা চয়ন উৎসব উদযাপিত হয়েছে দেশের প্রাচীনতম চা বাগান মালনীছড়া ও হিলুয়াছড়া চা বাগানে। চা চয়ন উৎসবে মেতেছিলেন চা শ্রমিকসহ সকলে। মালিক- শ্রমিক সবাই একাকার হয়ে যান এই উৎসবে।
গতকাল রোববার চা চয়ন উৎসবের মধ্যমণি ছিলেন সিলেট টি কোম্পানীর পরিচালক আব্দুল হাই টিপু এবং তার সহধর্মিনী সাদিকা জান্নাত চৌধুরী।
মালনীছড়ায় চা চয়ন উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বাগানের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম, , সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান, সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক আজম আলী, সহকারী ব্যবস্থাপক মোনায়েম ও মো. আব্দুল আজিজ এবং হেড টিলা ক্লার্ক মো. জাহাঙ্গীর আলম খাঁন।
অপরদিকে, হিলুয়াছড়া চা বাগানে চা চয়নে উপস্থিত ছিলেন বাগানের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান, আজম আলী, সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল আজিজ ও সুকুমার সরকার, বিদ্যুৎ তালুকদার এবং হেড টিলা ক্লার্ক বাদল দেব।
চা চয়ন উৎসবে বক্তারা বলেন, আমাদের দিনের শুরু হয় চা পানের মধ্যে দিয়ে। বাঙ্গালির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে চা। চা ছাড়া আমাদের আতিথেয়তা কল্পনা করা যায় না। তারা বলেন, চা একটি রপ্তানী পণ্য। দেশ ও বিদেশে চা এর চাহিদা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে মালিক-শ্রমিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে গুণগত মানের চা উৎপাদনে মডেল হতে পারি আমরা।
চা গাছ এবং বাগান সঠিকভাবে পরিচর্যার উপর গুরুত্বআরোপ করে বলেন, শ্রমিকদের আয় রোজগারে অন্যতম অবলম্বন এটি। বাগান ভালো থাকলে এবং উৎপাদন ভালো হলে সবাই উপকৃত হবেন। তারা বলেন, চা শ্রমিকরা আর আগের মতো নেই, এদের যথাযথ মূল্যায়ন করেই তাদের জীবনমান উন্নয়ন ও চা শিল্পের উৎপাদন বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে। চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে।
এদিকে, চা পাতা চয়ন উৎসবকে ঘিরে মালনীছড়া ও হিলুয়াছড়ায় শ্রমিকদের মাঝে বিরাজ করছিল এক আনন্দঘন-উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয়ভাবে ঐ উৎসব ‘পাতি উৎসব’ নামেও পরিচিত। সম্পূর্ণ নিজস্ব সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের আলোকে আয়োজন করা হয় পূজাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার। বাগানের মালিকও তাদের মূল্যায়ন করতে ভুলেননি। বরাবরের মতো সর্বাধিক চা চয়নকারী শ্রমিকদের হাতে তুলে দেন মূল্যবান পুরস্কার।

আরও পড়ুন