খাদিম নগরে ‘তারা’ বাহিনীর কাছে জিম্মি এক পরিবার: আইনানুগ হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশিত : ০২ জুন, ২০২০     আপডেট : ১ মাস আগে

সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছে জিম্মি রয়েছে খাদিম নগরের একটি পরিবার। জীবন-জীবিকা হুমকীর সম্মুখীন থাকা এই পরিবার এখন নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে আইনগত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের প্রতি।
মঙ্গলবার ( ২ জুন) সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানিয়েছেন সদর উপজেলার ৩ নং খাদিমনগর ইউনিয়নের মংলিরপার গ্রামের রাজা মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনের তিনি অভিযোগ করে বলেন, সিলেট সদর উপজেলার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক মেম্বার তারা মিয়া দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে আসছেন। এই বাহিনীতে যুক্ত রয়েছেন গ্রামের কয়েকজন চিহ্নিত লাঠিয়াল। তারা হলেন, যথাক্রমে তারা মিয়ার তিনপুত্র আক্তার হোসেন (৩০),তারেক মিয়া (২৭) ও সজিব (২৪)। তাছাড়া, চান মিয়ার ছেলে রাজিব (২২) আত্তর আলীর ছেলে রাহেল (২৭) ও রাজু (৩০)।

রাজা মিয়া বলেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি লেখাকে কেন্দ্র করে এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে। এই ঘটনার পর এই চক্র আমাকে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে ভয়-ভীতি ও হুমকীও প্রদর্শন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গেলো ২২ মে রাত অনুমান ১১ ঘটিকার সময়ে সাবেক মেম্বার তারা মিয়াসহ তাদের লোকজন পরিকল্পিতভাবে সদলবলে আমার বাড়িতে হামলা চালায়।’ তিনি বলেন, এ সময় দেশিয় অস্ত্রসহ তাদের অতর্কিত হামলায় পরিবারের ৫ জন সদস্য গুরুতর আহত হয়। প্রতিবাদ জানাতে এসে এই বাহিনীর কাছে রাজা মিয়ার স্ত্রী এবং মাসহ লাঞ্চনার শিকার হন।
সবাইকে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত করে এ সময় তারা মিয়ার বাহিনী সদলবলে বাসায় প্রবেশ করে করে আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ মূল্যবান সামগ্রীও সাথে করে নিয়ে যায়- এমন অভিযোগ জানিয়ে রাজা মিয়া বলেন, একপর্যায়ে আক্তার ও সজিবসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীগন বসতঘরে প্রবেশ করে ঘরের দামী দামী আসবাবপত্র (আলনা, সকেশ, চৌকি ইত্যাদি) ভাংচুর সহ রান্না কক্ষের টিনের বেড়া কেটে ১৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে এবং ঘরের সোকেশের ড্রয়ার হতে বিয়ের ফার্নিচার ক্রয় করার জন্য জমাকৃত ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, মা এবং স্ত্রীর কানের ও গলার এক ভরি ওজনের স্বর্ণের সেট যার বর্তমান বাজারমূল্য অনুমান ১ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থেকে ১০ টি সেলাই গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রাণ ফিরে পেলেও আসামীরা এখনো ভয়-ভীতি প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এ অবস্থায় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আইনানুগ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন