খাদিমনগরে প্রবাসীর স্ত্রী ও ১২বছরের সন্তানকে মারধরঃ থানায় মামলা

,
প্রকাশিত : ২০ আগস্ট, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট সদর উপজেলার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সিদাইরগুল গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
জানাযায় একই গ্রামের মৃত আব্দুর রকিব এর ছেলে নজরুল, নজমুল, কামরুল, জয়নুল ও শিরুল ইসলাম গংরা পূর্ব শত্রুতার জেরধরে এ হামলা চালিয়েছে। এব্যাপারে প্রবাসীর পিতা আব্দুল কাদির বাদী হয়ে গত ১৭ আগস্ট এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ২০-১৭/০৮/১৯। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে ১৪ আগস্ট সকালে প্রবাসী আব্দুল মালিক এর স্ত্রী শিরিনা বেগম ১২ বছরের ছেলে আব্দুল আমিনকে সাথে নিয়ে তার পিত্রালয় দক্ষিণ সুরমার হাজরাই গ্রামে বেড়াতে যায়। ঐদিন বিকেল বেলা পিত্রালয় থেকে স্বামীর বাড়ী খাদিমনগরের উদ্যেশ্যে রওয়ানা হয়। অনুমান সন্ধ্যা ৭টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধিন সিদাইরগুল বসত বাড়ী রাগীব রাবেয়া মাদ্রাসার সম্মুখে উপরে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা পূর্ব শত্রুতার জেরধরে শিরিনা বেগম ও তার ১২ বছরের ছেলে আব্দুল আমিনকে প্রাণে মারার উদ্যেশ্যে চুতুর দিকে ঘিরে ফেলে। এবং মহিলার গলার আধা ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ও হাতের বালা জোর করে কেড়ে নেয়। মা এবং সন্তান চিৎকার শুরু করলে ১নং বিবাদী ছেলে আব্দুল আমিনের মূখ চেপে ধরে এবং ৪ ও ৫নং বিবাদী শিরিনা বেগমকে পিছন থেকে পরনের শাড়ী দিয়ে মূখে চেপে ধরে। ফলে সন্ত্রাসীদের কাছে তারা অসহায় হয়ে পড়ে। তখন ২ ও
৩নং বিবাদী ছেলে আব্দুল আমিনকে বেধড়ক ভাবে মারপিট করে, যার ফলে ছেলেটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ১,৪ ও ৫নং বিবাদী প্রবাসী আব্দুল মালিক এর স্ত্রী শিরিনা বেগমকে এলোপাথাড়ী ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম করে। এক পর্যায়ে শিরিনা বেগম শোর চিৎকার করতে শুরু করলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন এসে শিরিনা বেগম ও তার ছেলে আব্দুল আমিনকে উদ্ধার করে বাড়ীতে পৌছান। ছেলের শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে তাকে সিলেট এম এজি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে এসে ২৩নং ওয়ার্ডের ২নং বেডে ভর্তি করা হয়। এব্যাপারে হাসপাতালে পুলিস কেস ও রয়েছে।
এদিকে থানায় মামলা হওয়ায় বিবাদীরা প্রবাসীর পিতা ও পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। প্রবাসীর পিতা বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন