কোরবানীর ঈদে সরগরম সিলেটের মসলার বাজার

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইউনুছ চৌধুরী পবিত্র ঈদুল আযহা বুধবার। এই ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে মসলা। কোরবানির পশু ক্রয়সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বাজার শেষে সকলেই এখন মসলার বাজারের দিকে মন দিয়েছেন। ঈদকে সামনে রেখে তাই গরম হয়ে উঠেছে মসলার বাজার। এরই মধ্য ধুম পড়েছে মসলা কেনা-বেচার। ঈদ উপলক্ষে সব মসলার দাম কেজি প্রতি ১৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানান ক্রেতারা। তবে, ব্যতিক্রম কেবল পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। গতকাল সোমবার সিলেট নগরীর বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
নগরীর মসলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, জিরা প্রকার ভেদে প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, দারুচিনি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, লবঙ্গ ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা, এলাচ ১৮০০ থেকে ১৮৫০ টাকা, গোলমরিচ ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই সাথে প্রতি কেজি জয়ত্রী ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা, কিসমিস মান ভেদে ৩৫০ থেকে ৪০০, আলু বোখারা ৫৫০ থেকে ৫৮০, পোস্তাদানা ১৬৫০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং জায়ফল প্রতি পিস ১০ থেকে ১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, রান্নার প্রধান উপাদান হলুদ, ধনিয়া ও মরিচের গুড়া বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত দামে। হলুদের গুঁড়া কেজি প্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা , ধনিয়া ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, মরিচ গুড়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা, পাঁচফোঁড়ন ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, পেঁয়াজের দাম এক মাত্র ব্যতিক্রম। প্রতি বছর পেঁয়াজের দাম বাড়া নিয়ে শঙ্কায় থাকতেন ক্রেতারা। এবার ঈদ আসতেই পেঁয়াজের দাম কমেছে। বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৮/১০ দিনপূর্বেও এ পেঁয়াজের দাম ৩৮/৪০ ছিলো বলে ব্যবসায়ীরা জানান। এছাড়া, বড় চায়না রসুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, ছোট দেশি রসুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং বড় চায়না আদা ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রান্নার অন্যতম উপাদান তেজপাতা বিক্রি হচ্ছে আটির আকার অনুযায়ী ৩ থেকে ১০ টাকায়।
এদিকে, মসলার দোকান গুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। ঘরের জন্য প্রয়োজনীয় মসলা কিনতে ছুটে চলেছেন দোকান থেকে দোকানে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে বিক্রেতাদের ফুসরত নেই। তবে মসলার বাজারে ক্রেতাদেরকে খুব একটা দর কষাকষি করতে দেখা যায়নি।
বাজার করতে আসা শাহ ফজলুল কাদের জানান, রোজার ঈদে সেমাই, ফিরনি-পায়েস হলেই চলে। কিন্তু কোরবানির ঈদে সেই সব কিছুর সাথে থাকে কোরবানির মাংস। আর মাংস রান্না করতে অপরিহার্য মসলা। তিনি বলেন, ঈদের প্রস্তুতি শেষ করে তিনি এখন মসলা কিনতে এসেছেন। তবে বাজার কিছুটা চড়া।
বন্দরবাজারের খুচরা মসলা বিক্রেতা তাজুল ইসলাম বলেন, মসলার দাম প্রায় স্থিরই রয়েছে। দু‘একটির দাম কিছুটা বাড়লেও মসলা যেহেতু পরিমাণে কম লাগে- তাই এসব পণ্য ক্রয়ে ক্রেতাদের জন্য অতিরিক্ত বোঝা হবে না।
খুচরা বিক্রেতা জাহেদ আহমদ বলেন, মসলার দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীদেরই বরং ক্ষতি হচ্ছে। তিনি বলেন, কিছুদিন পূর্বেও ক্রেতাদের ২০/৩০ টাকার ন্যূনতম পরিমাণ গরম মসলা (লং, এলাচ, গোলমরিচ, দারচিনি, জিরা, গুয়ামুরি) দেয়া যেতো। এখন এই দামে দেয়া যায় না। তবে, পরিমাণে কম লাগে বলে মানুষ মসলার বাজার নিয়ে কোন অসুবিধায় পড়বেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে শিগগির ক্রীড়া ভাতা চালু হবে

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: নিউইয়র্কে গণপ্রজাতন্ত্রী...

দাড়িয়াপাড়ায় মোবিসিটি’র উদ্বোধন

         নগরীর দাড়িয়াপাড়ায় “মোবিসিটি” মোবাইল শপ’র...

লাল টি-শার্ট

          সৈয়দ সাকিব আহমদ: ০১ তারিখ...