কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ বদরুল আমিন হত্যাকান্ড-ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার পাঁয়তারা করছে

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০১৯     আপডেট : ১ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক:

কোম্পানীগঞ্জের দরাকুলে আলোচিত বদরুল আমিন হত্যাকান্ডের একমাস পার হলেও মূল আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। মামলার স্বাক্ষীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হত্যাকান্ডের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। মঙ্গলবার সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করা হয়।
বিল্ডিং নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার সদস্য নাসির উদ্দিন, নূরুল ইসলাম ও ইমরান খান আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ এমন অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া স্বাক্ষী বাশির মিয়া তাদের সংস্থার লোক এবং এলাকার সজ্জন ও পরোপকারী ব্যক্তি। তারা বলেন, নিহত বদরুল আমিনের মা শাহেনা বেগমের দায়েরকৃত মামলায় ৮ জন আসামির নাম উল্লেখ রয়েছে। এদের মধ্যে আইন উল্লাহ, আনোয়ার হোসেনসহ অপর আসামিরা বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। বিশেষ করে আইন উল্লাহ পুলিশ এসল্ট মামলাসহ খোদ তার মায়ের দায়েরকৃত মামলার আসামি। এসব সত্ত্বেও কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার না করে মামলার একজন স্বাক্ষীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডের আবেদন করা এবং অপর স্বাক্ষীদের হয়রানি করায় সুবিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আইনের রক্ষক হয়ে পুলিশের এমন ভূমিকায় তারা মর্মাহত বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।
বদরুল আমিন হত্যা মামলার এজহারের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, মেশিন চুরি মামলার স্বাক্ষী হওয়ার কারণে আনোয়ার হোসেনসহ অপর আসামিরা পরিকল্পিতভাবে বদরুল আমিনকে হত্যা করে। এখন হত্যাকান্ডের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পুলিশকে ব্যাবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, পুত্র হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গত ২৪ মার্চ নিহত বদরুলের মা শাহেনা বেগম সংবাদ সম্মেলন করেন। মামলার অন্যতম স্বাক্ষী বাশির মিয়ার এ ঘটনার সাথে বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা থাকলে বদরুলের মা সংবাদ সম্মেলনে তা অবশ্যই উল্লেখ করতেন। কিন্তু এখন ‘নিরপরাধ’ বশির মিয়াকে পুত্রহত্যার ঘটনায় জড়িত বলে প্রচার করতে পুলিশ শাহেনা বেগমের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। সংবাদ সম্মেলনে বাশির মিয়ার পরিবারের সদস্যরা এবং বদরুল হত্যা মামলার স্বাক্ষী নূরুল ইসলাম পুলিশের হয়রানির বিষয়টি তুলে ধরেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তারা উর্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি এবং পুশিল সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া স্বাক্ষী বাশির মিয়ার পিতা জহুর আলী, মা- সমরুননেছা স্ত্রী খালেদা বেগম ও শিশুপুত্র ছালিম এবং কন্যা সানজিদা উপস্থিত ছিলেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

জীবনের ইতিতে

         (সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ...

আজ জহির চৌধুরী সুফিয়ানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট জেলা...

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন ড. মোমেন

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : নতুন মন্ত্রীসভায়...