কেমুসাস বইমেলার নবম দিন

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০১৮     আপডেট : ৩ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশিষ্ট্য সাংবাদিক সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু বলেছেন, জীবনে বিতর্কের প্রয়োজন রয়েছে। আমি নিজেও একসময় স্কুল কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতাম। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যারা অংশ নেয় তারা জীবনের অনেক কিছুতে সফলতা অর্জন করতে পারে। সিলেটে আজ যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো অবস্থানে রয়েছেন তারাও একসময় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। বিতর্কের মধ্যদিয়ে জ্ঞানের সমৃদ্ধি ঘটে এবং কথা বলার জড়তা দূর হয়। আমাদের আগের প্রজন্ম এবং বতর্বমান প্রজন্মের জন্য জ্ঞানের একটি ভান্ডার হলো কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ। প্রত্যাশা রাখি আগামী প্রজন্মগুলোর জন্য তা জ্ঞানের ভান্ডার হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবে। গতকাল বুধবার বিকেল চারটায় একাদশ কেমুসাস বইমেলামঞ্চে বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের অর্থ সম্পাদক ছড়াকার আব্দুস সাদেক লিপন এডভোকেটের সভাপতিত্বে এবং বইমেলা উপকমিটির সদস্যসচিব সৈয়দ মবনুর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হযরত হাতেম আলী হাইস্কুলের সাবেক প্রিন্সিপাল এবং কেমুসাসের নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মুহিবুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক সিলেটের ডাকের সাহিত্য সম্পাদক ফায়যুর রহমান। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সাদেক লিপন বলেন, কেমুসাস গত বছরের মতো এবারও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। আপনারা যারা স্থানীয় কিংবা জাতীয় পর্যায়ে বিতর্কে অংশ গ্রহণ করেন তাদের যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা নিতে পারেন। আমাদের পাঠাগারে পঞ্চাশ হাজারের অধিক বই রয়েছে, আপনারা তথ্যের জন্য এখানে আসতে পারেন। বিশেষ অতিথি সৈয়দ মুহিবুর রহমান বলেন, ভালো কিছু পেতে হলে প্রথমে খারাপকে খন্ডাতে হয় এবং তা বিতর্কের মাধ্যমে সম্ভব। সাহিত্য চর্চার অনেক বিশাল স্থান হলো কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ। এক সময় এই সংসদের অনেকগুলো শাখা ছিলো বলেই এর নামে কেন্দ্রীয় যুক্ত রয়েছে। বর্তমানে অবশ্য কোন শাখা নেই। সবাই সংসদে আসবেন বই পড়ার জন্য, সাহিত্য চর্চার জন্য। স্বাগত বক্তব্যে তরুণ প্রাবন্ধিক ফায়যুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ প্রতি বছর বইমেলাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ছাত্রছাত্রিদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সিলেটের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিৎ ছাত্রছাত্রিদেরকে নিয়ে মাঝেমধ্যে কেমুসাসের পাঠাগার ও জাদুঘর পরিদর্শন করা।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ‘ক’ গ্রুপের ১ম স্থান অধিকার করে অগ্রগামী-১, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ২য় স্থান অগ্রগামী-২, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ‘ক’ গ্রুপের সেরা বক্তা হিসেবে সানজিদা ইসলাম শায়লা। ‘খ’ গ্রুপের ১ম স্থান অধিকার করে এন.ই.ইউ.বি-১, নর্থ ইষ্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ২য় স্থান ডি.ডি.এফ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়। ‘খ’ গ্রুপের সেরা বক্তা হিসেবে তানিয়া সুলতানা। বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন মো. মাজহারুল ইসলাম লোচন, ফায়যুর রাহমান, মাহবুব মুহম্মদ, হেলাল হামাম, ফিদা হাসান, মাহফুজুর রহমান।
আজ থেকে মেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলেবে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পরবর্তী খবর পড়ুন : অবশেষে মশক নিধনে মাঠে সিসিক

আরও পড়ুন

যুবলীগের কার্যালয় উদ্বোধন

         ১৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের কার্যালয়...

আ.ফ.ম কামালের ইন্তেকালে মহানগর জামায়াতের শোক

         সিলেটের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সিলেট পৌরসভার...

ভয়ানক এ দৃশ্য

         শামীমুল হক সত্যিই ভয়ানক এ...