কালো মেয়ে

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জুঁই ইসলাম

মিরার মনটা খারাপ। জানালার গ্রিল ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে। আজ কোন কাজ করতে ইচ্ছে না। অন্যদিন বাসার সব কাজ সে একাই করে কিন্তু আজ কোন কাজ হাতে উঠছে না। প্রচন্ড মন খারাপ। রাতে ঘুমাইন্ িসারা রাত কেঁদেছে। মিরার মন খারাপ হলে সে বর্শি দিয়ে মাছ ধরে। এটা তার ছোটকালের অভ্যাস। তাদের বাড়ির সামনে পেছনে দু‘টো বড় পুকুর আছে। দু‘টো পুকুরে অনেক মাছ। মাছ ধরা তার শখ। মন খারাপ হলে সে মাছ ধরে।
গ্রামের সহজ সরল মেয়ে মিরা হলে বুদ্ধির কমতি নেই । অষ্টম শ্রেণী পাশ। বাবা মায়ের ১২ বছরের সাধনার ধন মিরা। বিয়ের ১২ বছর পর মিরার জন্ম। খুব আদুরিনী। বাবা-মা আর মিরা তিনজনের সংসারের ভালোই চলে তাদের । মিরার বাবার নাম ওসমান। তিনি ছোট খাটো ব্যবসা করেন।
মিরা আনমনে ভাবছে পুকুরঘাটে যাবে কি না ? এমন সময় মিরার মা এসে বললেন আয় কিছ খাবে। না কিছু খেতে ভালো লাগছে না। আমি জানি তোর মন খারাপ। আমি তো মা সব বুজিরে। তোর মন খারাপ। কি করবো বল? মা আমি কি বলছি তুমি কিছু করতে ? তোমরা তো যা করতে পার তাই দিনের পর দিন করে যাচ্ছ। রাগ করিস না মিরা। আমাদের কিছু করার নাই। তুই যখন মা হবে তুইও হয়ত তাই করবে। এটা পৃথিবীর প্রতিটা মা-ই করে। অন্য মায়েদের হিসাব জানি না কিন্তু তুমি আর করবে না। মিরা কেঁদে কেঁদে বলছে আমাকে বাঁচতে দাও মা। আমি মানুষ হিসাবে বাঁচতে চাই। একটা বর আমাকে দেখে পচন্দ করলো না। না বলে চলে গেল। এটা অনেক বড় অপমান আমার কাছে । আমি মানসিকভাবে কষ্ট পাই। মারে আর কথা বলিসনে আয় মা কিছু খায়। না খাবো না।
ও ঘর থেকে মিরার বাবা এলেন। মা মন খারাপ করিসনে। যা কিছু খা। কাঁদো কাঁদো কন্ঠে মরিা বলল মা-বাবা দু‘জন শোন আমি খাবো একটা শর্তে খাবো আর কোনদিন বিয়ের আলাপ আসলেও আমাকে পাত্রের সামনে আসতে বলবে না। কথা দ াও। মা-বাবা দু‘জন কোন উপায় না দেখে মিরার কথায় রাজি হলেন। ঠিক আছে।
মিরার বয়স ২৯। গায়ের রং কালো। এই নিয়ে কম করে হলেও ২০/৩০ বার মিরাকে কন্যা দেখানো হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই শুধু দেখে যায় আর কোন খবর নেই। মিরা জানে কালো মেয়েদের বিয়ে হওয়া কঠিন এই যুগে। সবাই ফর্সা, সুন্দর খুঁজে। মিরার মত মেয়েকে কেউ পচন্দ করবে না। মিরা প্রতি বারই মা-বাবার মুখের দিকে চেয়ে বরের সামনে যায়, সে জানে তাকে কেউ পচন্দ করবে না। কোন বর দেখতে আসলে মিরার মা মিরাকে ঐদিন হলুদ দিয়ে গোসল করতে বলেন এতে নাকি চেহারা ফর্সা লাগে। মিরার বাবা মেয়েকে সাজানোর জন্য বাজারে যা যা প্রসাধনী আছে যা দিলে রং উজ্জ্বল হয় তার কোনটা বাদ দেন না যথাসাধ্য নিয়ে আসেন। কোন বর দেখতে আসলে মিরার মা-বাবা দু‘জনেই বার বার বলেন ্আজ তুই রান্না ঘরে ঢুকবে না আর মেহমান আসার অনেক আগে থেকেই মিরার বাবা বলবেন মিরা তুই সুন্দর করে সাজ আর কিছু কাজ করা লাগবে না বাকি ক্জা তুর মা করবেন।
মিরা প্রায় বলে বাবা আমি সুন্দর না । সুন্দর করে সাজলেই কি সুন্দরী হওয়া যায় ? কে বলছে তুই সুন্দর না ? আমার মেয়ে আমার কাছে সেরা সুন্দরী। বাবা পৃথিবীর প্রতিটা বাবার কাছে তার কন্যা সেরা সুন্দরী । মারে তোর গায়ের রং কালো কিন্তু তুর মতো গুনবতী মেয়ে ক’জন আছে?
বাবা গুণ এখন কেউ দেখে না, সবাই সুন্দর খুঁজে। প্রতিবার যখন বিয়ের আলাপ আসে তোমরা হাজার আশা নিয়ে আমাকে কন্যা দেখাও। কিন্তু প্রতিবারই বরগুলো আমার গায়ের রং দেখে চলে যায়। খুব অপমান লাগে, নিজেকে খুব ছোট লাগে বাবা। একটা ছেলে কত পাত্রী দেখে কিন্তু তারা কি একটিবারও মেয়েদের মন কিংবা মান সম্মানের কথা ভাবে ? তারা তো মেয়ে দেখলো , খাওয়া দাওয়া করলো , খাবার ভালো না হলে নানা কথা অগোচরে বললো। মেয়ে পচন্দ না হলে-বলে দিল কন্যা পচন্দ হয়নি। কত সুজা হিসাব তাদের তাই না বাবা ? ্আচ্ছা বাবা আমরা মেয়েরা কি মানুষ না ? তবে কেন কুরবানীর গরুর মত এক হাট থেকে অন্য হাটে ঘুরে ঘুৃরে মেয়ে দেখে পুরুষ জাতি ? পচন্দ হলে বিয়ে না হয় বিয়ে হল না । কিন্তু একটা মেয়ে যে কত অপমান অনুভব করে তার খবর কি পুরুষ সমাজ রাখে ? এ কেমন জাতি আমরা ? ছেলেগুলোর যদি একটা পা, হাত,কিংবা চোখ না থাকে কিছইু যায় আসে না তাতে তারপরও তারা ঐ অবস্থায়ও ফর্সা, সুন্দর একটা বউ খুজেঁ। বাবা কষ্ট পাই তোমরা কত আশা করে আমাকে কন্যা দেখাও। ভাবো এই বুজি তোমাদের মেয়েটা লাল শাড়ি পড়ে বিয়ের পিড়িতে বসবে। তোমার মেয়ে খুশি মনে শশুর বাড়ি যাবে লাল শাড়ি পড়ে কিন্তু প্রতিবার তোমাদের হাজার স্বপ্ন চূর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যায়। আমার মত মেয়েকে কেউ বউ বানাতে চায় না বাবা। তোমাদের কারণে আমার বেশি কষ্ট লাগে। তোমরা তো এতদিন আমার ভরণপোশণ করেছে বাকি জীবন বাবা আমাকে তোমরা পালতে পারবে না ? মিরা এসব বলতে নেই।
যুগ পালটে গেছে বাবা । আগের যুগে এমন ছিল না। সমাজ দিন দিন কঠিন হচ্ছে। সহজ সবকিছু কে কঠিন করে দেওয়া হচ্ছে। আগের যুগে কি কালো মেয়েদের বিয়ে হয়নি? তোর মাকে প্রথমবার দেখেই আমার ভালো লাগে আর একবারেই কন্যা দেখে বিসমিল্লাহ বলেছিলাম মনে আছে আর তুর মা তো সেদিন সে কী কান্নাটা না করল। আমার মায়ের যুগ এখন নাই বাবা। এখন সবকিছু অন্য রকম। এখন ১০০টা পাত্রী না দেখলে পুরুষদের বিয়ে-ই হয় না। এই জন্য মা সংসারও ঠিকে না। আগে সংসার ভাঙ্গন কম ছিল। এখন তো অনেক বেড়েছে। এসব কি বাবা কেউ বুজে ?
বাব আমাকে লুকিয়ে তোমরা চোখ মুছ আমি কি বুজি না ? আমি চাই না তোমরা আমার জন্য কাঁদো। আমার লাল শাড়ী শাড়ি লাগবে না। আমার মত কালো মেয়েদের স্বামীর ঘরে যাওয়ার স্বপ্ন না দেখা ভালো। তোমরাও দেখবে না আজ থেকে।
তিন জনের কথার মাঝেই হঠাৎ করেই ওসমান ওসমান বলে মহাজন সাহেব ঘরে ঢুকলেন। মিরা দৌড়ে ঘরের ভেতরে গেল। মিরার বাবা হাটের মহাজনের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ধার এনেছিলেন। সেবার ফসলি জমি বন্যার কারণে নষ্ট হয়। মিরাদের সকল ফসল বন্যায় পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। মিরার বাবা আর্থিক সমস্যায় পড়েন তখন তিনি মহাজনের কাছ থেকে টাকা ধার নেন। কিন্তু সে টাকা আজও পরিশোধ হয় নাই।
কিরে ওসমান আমার টাকা কি তোর দিতে মন চায় না ? কত তারিখ-ই না দিলে, আর কত দিবে ? এবার আমার পাওনাটা ফিরিয়ে দে। ওসমান মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল দিবো আর ক‘টা দিন সবুর করেন। তা তোর মেয়ের বিয়ের কিছু হল ? জি না এখনও কোন দিকে কোন কিছু করতে পারিনি।
তুই এক কাজ কর তুর মেয়েকে আমার পাগল ছেলের সাথে দিয়ে দে। না মহাজন এ কি বলেন ? আমি গরীব হতে পারি কিন্তু আমার মেয়েকে সারা জীবন পালতে পারব্ োপাগল ছেলের সাথে বিয়ে কোন দিনও দিবো না। বেশি ডেমাগ দেখাস নো ওসমান আমি কিসে কম ? এই গ্রামের প্রথম স্তরের একজন মানুষ আমি। আর তুর কাছে আমি ১লক্ষ টাকাও পাই তুর টাকা দেওয়া লাগবে না, আর তুর মেয়ে তো কালো এই গ্রামের সবাই জানে। কে নিবে তাকে বুড়ি বানাবে তারচেয়ে আমার প্রস্তাবে রাজী হয়ে যা। আমার ছেলে তো শুধু লাঠি হাতে নিয়ে সবাইকে ভয় দেখায় কিন্তু কাউকে মারে না সহজে আর মারা ধরছে তো শেষ করে ছাড়ে। বিড়ি খায় না, মেয়েদের পেছনে ঘুরে না, চুরি করে না. পান খায় না , মোবাইল চালায় না, এ যুগে ক‘টা ছেলে আছে তার মত ??
ওসমান নিচের দিকে তাকিয়ে থাকে মহাজনকে কিছু বলতেও পারে না। মহাজন বলে যায় দু‘দিন সময় দিলাম তুকে । ভেবে দেখ । না হয় আমার টাকাগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে ফিরত দিবে।
মিরা আর তার মা মহাজনের সব কথা শুনে পাশের রুম থেকে। মিরার বাবা মিরাকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে। তুই চিন্তে করিসনে আমি এই ভিটে মাটি বিক্রি করে মহাজনের টাকা ফিরত দিবো তবু তুকে ঐ পাগলের সাথে বিয়ে দিবো না।
মিরা বসে বসে ভাবছে মহাজনের প্রস্তাবের আজ তো একদিন শেষ হয়ে গেল বাকি একদিন হাতে কি করবে বাবা? কি সমাধান ? এসব ভাবছে আর পুকুর ঘাটে মাছ ধরছে। এমন সময় মহাজনের পাগল ছেলেটা উপস্থিত পুকুর ঘাটে। মহাজনের পাগল ছেলেটার নাম মজিদ। মজিদকে দেখে মিরা ভয় পেলেও সরে যায়নি। মজিদ বলতে লাগলো এই মিরা তুর সাথে নাকি আমার বিয়ে বাবা বলেছে। রাতে এ কথা শুনে আমি তো ঘরে ঘুমাইনি, বড় গাছটায় উঠে ঘুমাইছি আর সকালে নেমেছি। আর ঠিক করছি তুর সাথে বিয়ে হলেও আমি রাতে গাছে ঘুমাবো কারণ কোন মেয়ে মানুষের সাথে তো কোন কালে ঘুমাইনি। আমার খুব লজ্জা করে। ঘুমালে আমার লুঙ্গিটা মাথায় উঠে যায় তো। এ কথা শুনে মিরা লজ্জা পেল।
এমন সময় মিরার বাবা এলেন মজিদ উনাকে দেখে পা ধরে বসে থাকলো। পা ছাড়ে না । পায়ে টিপাটিপি শুরু করলো। ওসমান বলল ছাড়। ছাড় বলছি। কি না কি মনে করে পা ছেড়ে দিয়ে বলতে লাগলো মিরা আমি তুকে বিয়ে করব না বাবাকে বিয়ে দিবো।
দেখ কত পাগল ছেলে মজিদ। জি বাবা । মিরা বাবাকে বললো বাবা কি সিদ্ধান্ত নিলে? কি আর এই বাড়ি বিক্রি করে দিবো। না বাবা আমি বেঁচে থাকতে এই বাড়ি বিক্রি করতে পারবে না।
পাগলামো করিসনে বাড়ি গেলে বাড়ি পাবো কিন্তু পাগলের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দিতে পারব না। বাবা বাড়ি পাওয়া এত সুজা না। এখানে আমার দাদা-দাদির কবর। আমি পাগলা মজিদকে বিয়ে করব। কি বলিস ? তুই কি পাগল হলে ? না বাবা পাগল না সুস্থ মাথায় বলছি। তুমি মহাজনকে বলে দাও তুমি বিয়েতে রাজি।
বাবা-মা দু‘জন মিরাকে বুজালেন কিন্তু মিরা এক কথা সে বাড়িটা বিক্রি করবে না। মজিদরে বিয়ে করব। কোন উপায় না দেখে দিশেহারা বাবা-মা বিয়ের তারিখ দেন। মিরা বলল বাবা বিয়ে আগে একটা কাজ করতে হবে। কি মা ? মহাজনের সাথে চুক্তি করতে হবে। দু‘জন লোককে সাক্ষী রেখে একটা কাগজে লিখে নিতে হবে যে ১ লক্ষ টাকার হিসাব আজই শেষ। আমার কোন দাবি থাকল না মহাজনের সাক্ষর ও গ্রামের দু‘জন চাচার সাক্ষর নিতে হবে। আমি চাচা দু‘জনকে সব বলেছি। তারা থাকবেন। তবে সাক্ষরটা যেন ষ্ট্যাম্পে হয় । এসবের কি দরকার মা ? দরকার আছে বাবা।
এদিকে মিরা মজিদকে ডেকে আনে তার খালাত ভাইয়ের মাধ্যমে। মজিদ পাগলা পুকুর ঘাটে এল । চাদনি রাত। মজিদ আর মিরা বসে আছে। জোনাকিরা ঝিঁকিমিকি আলো ছাড়াচ্ছে। মজিদ একটা জোনাক পোকা ধরে মিরাকে দিল। মজিদের গায়ে গামের বিকট গন্ধ। মিরা নাক বন্ধ করে বসে আছে। মিরা বলল আচ্ছা তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাও ? মজিদ উত্তর দেয় আমি নাতো বাবা করতে চায়। তাই ? হু। বিয়ের দিন পাগড়ি পড়তে চাও? না। আমি পাগলা মানুষ আমি কেন পড়ব ? আমি গায়ে কাপড় রাখতে পারি না। বাবাকে সব পড়াবো। সত্যি ? তিন সত্যি। বাবা যদি না পড়েন তবে? শোন মিরা আমার লাঠি আছে না ? সেই লাঠিকে সবাই ভয় পায়। বাবাও।
আজ গায়ে হলুদ। মিরা হলুদ শাড়ি পড়ে বসে আছে। দু‘জন ভাবি তাকে হলুদ গায়ে দিচ্ছেন। বিয়ের সাথে হলুদের কি সম্পর্ক মিরা মনে মনে খুঁজছে। যাক গে একদিন দিক না আদর করে রং মাখিয়ে। ভাবতে ভাল লাগছে না। মানুষের ভালবাসা পাওয়া বেঁচে থাকার জন্য খুব দরকার।
আজ বিয়ে বর আসবে কনে ঘরের এক কোনে বসে আছে। মিরা লাল শাড়ি পড়ে আয়নার দিকে বার বার তাকাচ্ছে নিজেকে কেমন লাগছে । নিজে নিজেই লজ্জা পায়। সত্যি তো লাল শাড়িতে খুব সুন্দর লাগছে। মনে মনে বলে আল্লাহ মজিদ পাগলা কি করছে আল্লাহ জানে।
দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়। বর আসে না। মিরার মা খুব চিন্তায় আছেন। যতটুকু পেরেছেন আয়োজন করেছেন। কিন্তু বর কই। বেলা যে যায়। হঠাৎ পোলা-পানের আওয়াজ বর এসেছে বর এসেছে। সবাই উৎসুক বরকে দেখা জন্য। কিন্তু এ কি সবাই অবাক এ তো মহাজন বর সেজে আসছেন আর পেছনে মজিদ পাগলা। সবার সাথে মিরাও বাইরে এল। মজিদ মিরাকে বলল। দেখছ আমি বলছি না বাবা বিয়ে করবে।
এ দিকে মহাজনের এ সাজ সজ্জা দেখে গ্রামের লোকেরা বলতে লাগল মহাজনও কি পাগল হল ?মহাজন কোন উপায় না পেয়ে মিরার বাবার কাছে ক্ষমা চায়। মিরার বাবা-মা কি যে খুশি সাথে মিরাও।ু
মিরা লাল শাড়ি পড়ে আছে কিন্তু পাশে বর নাই এ কথা ভাবতে মিরার চোখের পানি গড়িয়ে পড়লেও মনে মনে খুশি বাবাকে মহাজনের হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পরবর্তী খবর পড়ুন :  মরিয়মের স্বপ্ন

আরও পড়ুন

কমলগঞ্জে চা-শ্রমিক সংঘের সভা

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে...

কেমুসাসের বার্ষিক সাধারণ সভা আজ

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য...

অগ্নিদগ্ধ পরিবারকে অনুদান প্রদান

         বিশ্বনাথ উপজেলা অলংকারী ইউনিয়নের রহিমপুর...

বিজয় বিতর্কিত করতেই হত্যাকাণ্ড, দাবি আরিফের

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক :  বিজয়...