কার্তিকের ধবল মেঘ

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সুজিত রঞ্জন দেব:

কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে…
‘আইচ্ছা তে লইছস নি, পৌঁচকাড?’ (আচ্ছা পোস্টকার্ড নিয়েছিস? এমন শব্দ শুদ্ধ করে উচ্চারণ করতে পারেন না আমার মা।)’
দশমী শেষ হল কাল। ঠাকুর বিসর্জন করতে করতে বেশ দেরি হয়ে গেছে। প্রায় মাঝরাতে যখন বাড়ি ফিরি, প্রথম শীতের মিষ্টি আমেজে বহু আগেই লেগে এসেছে মা’র চোখ। তবু কীভাবে যেন আমার আসাটা টের পান তিনি, চুলার উপরে খাবার আছে। খেয়ে নিস।
¬¬বিজয়া দশমীর রাতে বাড়িতে খাবার রেওয়াজ কিংবা সুযোগ কোনটাই আমাদের গ্রামে তখনো ছিল না। আজও নেই। পুজোর চারদিন কে যে কার বাড়িতে খাবে, প্লেটে ভাত নেবার আগ অবধি যে খায় আর যিনি খাওয়ান কারোরই জানার উপায় নেই।
চুলার ভাত চুলায়ই থাকল। হাত-পা ধোয়ে প্রথম কাজই হল বিছানায় উঠা। বিশেষ ক’রে আমাদের মতো ‘নেই কাজ’ টাইপের ছেলেদের জন্য দুর্গাপুজার এই সময়টায় দম ফেলার উপায় নেই।
গ্রামের বারোয়ারি পুজা। সকল পেশা-শ্রেণির, সকল মানুষের। একেবারে উপরের সারির মুরুব্বীদের জিম্মায় মূল পুজোর ভার রেখে ক্রমানুসারে বয়স ভেদে নীচের দিকে নেমে আসে দায়িত্বভার। একদম শেষ যে কাজটা, ফুল আর বেলপাতা তুলে আনা, সেটাও আটকে থাকে আমাদের কয়েকধাপ উপরের বয়সীদের হাতে। এঁদের কেউ হয়তো ইন্টারমিডিয়েট ফার্স্ট-ইয়ারে, ক’দিন পরেই চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসবেন কেউ।
মূল আয়োজন নয় বরং এঁদের কেউ কেউ যখন কোন ফরমায়েশ করতেন-এই তারের মাথাটা একটু ধর তো কিংবা এক দৌড়ে এই মোমবাতিটা একটু জ্বালিয়ে আন দেখি-আমরা, সিক্স-সেভেনে পড়ুয়ারা নিজেদের ধন্য মনে করতাম। যাক, পুজোর একটা কিছু তো করতে পেরেছি।
কেউ কেউ আবার চাইতেন, ধীরে ধীরে গড়ে উঠা মন্দিরের পেছনে গিয়ে তাঁরা যখন লুঙ্গির ভাঁজ (আমরা বলতাম ‘ফাঁড়’) থেকে নাসিরুদ্দিন এর খাকি শলাকাটা বের করবেন, আমাদের কেউ যেন সজাগ লক্ষ রাখি যাতে বড়দের কেউ হঠাৎ এদিকে এসে পড়ে তাঁদের সুখটানে বিঘ্ন না ঘটান।
কাল রাতেও আমার আর আমার এক বন্ধুর দায়িত্ব ছিল দুপুর থেকে মহাযাত্রার জন্য নির্ধারিত জায়গাটায় ঠায় বসে থাকা। যাতে ক’রে কোন গরু-ছাগল কিংবা অন্য কোন অনাহুত অতিথি শেষ আরতির জন্য পরিষ্কার করে রাখা জায়গাটা মাড়িয়ে না দেয়।
এহেন মহা ব্যস্ততার পর বাড়ি ফিরে মা’র, চুলার উপরে খাবার আছে। খেয়ে নিস, জাতীয় বাক্যের প্রতি সাড়াদানের চাইতে আমার কাছে শক্ত চটের বিছানায় তারচেয়েও বেশি শক্ত বালিশটা আঁকড়ে ধরে সুখে নিদ্রা যাওয়াটাই ছিল পরম কর্তব্য। পরদিন সন্ধ্যা…খুব বেশি হলে বিকেলের দিকে ভাঙত ঘুম, তাও ভাঙত মায়ের আদুরে কিলঘুষিতে।
*
আজ সকাল সকালই উঠতে হল।
বাঁশঝাড়ের নীচে ‘আসল কাজ’টা শেষ করে, পুকুরে হাতমুখ ধোয়ে যখন বারান্দায় বসলাম, ঘরের সামনের শিউলি আর স্থলপদ্ম গাছ থেকে ফুল তোলা শেষ করে এনেছেন মা।
তাঁর ছোট ছোট পা দুটোতে শিশিরের সাথে লেগে আছে নরম ঘাসের টুকরো। এই সাত সকালে বাড়ির কেউই বিছানা ছাড়েননি। তবু তাঁর মাথায় ঘোমটা টানা। এই বাড়ি…শুধু বাড়ি কেন, পুরো দুনিয়ায় (আমাদের আত্মীয়ের মধ্যে) তাঁরচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ কারা আছেন, হাতের এক আঙুলে গোনে দেয়া যাবে। এবং এঁদের কেউই আমাদের বাড়ির দুইশ’ মাইলের মধ্যে থাকেন না। তবু ঘরের বাইরে বের হলেই আগে মাথার কাপড় ঠিকঠাক আছে কি-না সেটা নিশ্চিত হয়ে নেন মা।
বারান্দায় দাঁড়িয়ে তাঁর এগিয়ে আসা দেখলাম আমি।
প্রকৃতির চারদিকে এখন শরতের রাজত্ব। কিছুদিন আগেও যেখানে ঘন মেঘের আনাগোনা ছিল হামেশা, সেই আকাশ এখন ময়ূরকণ্ঠী নীলের দখলে। মাঝে মাঝে দু’এক টুকরো অলস মেঘের দেখা মেলে। আমাদের তুলসী-বেদীর সাথে লাগোয়া সুপারি গাছগুলোর একটায় বসে শিস দিয়ে যাচ্ছে নীলচে সাদা দোয়েল। মা’র প্রায় মাথা ছুঁয়ে উড়ে গেল চার-পাঁচটা চড়ুই।
প্রমত্তা বর্ষার পর ধীরে ধীরে শুকিয়ে আসছে বাড়ির কাদা। শেষবার যারা হেঁটে গিয়েছে, নরম মাটিতে তাদের পায়ের ছাপ স্পষ্ট। এই ছাপ ধরেই হেঁটে আসছেন মা। তাঁর সাদা আঁচল ভর্তি শিউলি-জবা-স্থলপদ্ম।
আমার সাথে চোখাচোখি হতেই হাসলেন। মোলায়েম মুচকি হাসি। বহুবারের মতো আবারও মনে হল তাঁর কালো মুখের হাসিতে খেলা করে হাজারো নক্ষত্রের ছটা। না…তুলনাটা মনে হয় কম হয়ে গেল? সংখ্যাটা হাজার? নাকি লক্ষ-কোটি? কে জানে। লক্ষ কোটি তারা একসাথে দেখার সৌভাগ্য হয় নি আমার।
‘আইচ্ছা তে লইছস নি, পৌঁচকাড?’
এমনকি তাঁর সিলেটী উচ্চারণও আমাদের যেকোনো জনের চেয়ে খারাপ।
বেচারি…
কোনমতে দুই ক্লাস অবধি স্কুলে যেতে পেরেছিলেন। তেরো আর চৌদ্দর মাঝামাঝি থেকে আমাদের সংসারের ঘানি টানছেন। যে ক’দিন বাবা ছিলেন, আনন্দ-কষ্ট ভাগাভাগি করার লোক ছিল। হয়তো কিছুটা বিলাসও ছিল। আমার জন্মের পর থেকে সাদা শাড়ি আর অভাব নিত্য সঙ্গী। আর কিছু পারি আর না পারি জন্মের সাথে সাথেই এই দুটো জিনিস মাকে উপহার দিতে পেরেছি আমি।
কিছু একটা জপ করছেন মনে মনে। টের পাওয়া যায় কি যায় না। বিড়বিড়ের ভঙ্গীতে নড়ছে ঠোঁট দুটো। ইষ্টনাম হবার সম্ভাবনাই বেশি। হাতের ইশারায় চৌকির পাশে রাখা ছোট তিনপেয়ে টুলটায় বসতে বললেন আমাকে।
আমাদের পরিবারে পড়ার জন্য চেয়ার-টেবিল চরম বিলাসিতা। চটের বস্তা, না হয় চৌকির সাথে ভাঙা টুল জোড়া দিয়ে বসতে পেরেই মহাখুশি আমরা ভাইবোন।
নড়বড়ে টুলটায় বসতে না বসতেই হাজির হলেন মা। তাঁর এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতে ঘরে বানানো মুড়ির লাড্ডু। শীতের শুরুতেই আমাদের পেছনের বাড়ির এক ভদ্রমহিলা এমন মহার্ঘ্য বানাতে শুরু করেন। বাড়ি বাড়ি ফেরি করে বেড়ান একেবারে ফাল্গুনের শেষ অবধি। আমার মা তাঁর ‘বান্দা’ খদ্দের।
আমাকে সকালের নাস্তা গছিয়ে দিয়ে দ্রুত ভেতরে গেলেন মা। তাঁর এই তাড়াহুড়োর কারণ অনুমান করতে হয় না। এখন কি নিয়ে আসবেন তিনি, আমি জানি।
পুজো শুরুর আগেই আট আনা দামের বিশটা পোস্টকার্ড আনিয়েছেন আমাকে দিয়ে। দশমী শেষ। আত্মীয়স্বজনদের সবাইকে বয়স আর সম্পর্ক ভেদে আশীর্বাদ জানাতে হবে। খোঁজ নিতে হবে কার পুজো কেমন গেল। কার শরীর স্বাস্থ্য কেমন ইত্যাদি হাজারো কথা। তাড়াহুড়োর কারণ আমাকে ধরে রাখা। একবার ঘর ছেড়ে বের হলে দুপুরের আগে আর দেখা পাবার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কাজেই যতটা সম্ভব বেশি লিখে ফেলাটাই তাঁর উদ্দেশ্য। তাড়াহুড়োর সেটাই কারণ।
নিজের জন্য পানের বাটা আর আমার জন্য আরও একটা লাড্ডু নিয়ে হাজির হলেন মা, ‘এই নে,’ লাড্ডুটা আমার দিকে বাড়িয়ে দেন ‘খেয়ে জলদি জলদি আরম্ভ কর।’
মনে মনে হাসলাম আমি। এমনিতে বিকেলে পড়তে বসার আগে এমন লোভনীয় খাবারের ‘সেকেন্ড পিস’ হাতে আসা…অমাবস্যার চাঁদের চেয়েও দুর্লভ! তবে এখনকার কথা আলাদা। পুজোয় তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে দিচ্ছি আমি। খাতির তো করাই লাগে।
সুযোগ বুঝে নিজের ‘রেট’ বাড়িয়ে দিলাম আমিও, ‘একটায় হবে না, মা। প্রতি দুটো চিঠির পর একটা লাড্ডু আর এক কাপ চা দিতে হবে (‘৮৮/’৮৯ এর দিকে অতিরিক্ত এক কাপ চা ম্যানেজ করতে কি কষ্ট যে তাঁকে করতে হতো, আজ বুঝি)
‘আচ্ছা, আচ্ছা। দেবো রে বাবা। এখন শুরু তো কর।’
হাফ-প্যান্টের কোণায় হাত মুছে সেবিকা কলম আর একটা কার্ড টেনে নিলাম আমি। হলদে-খাকি রঙয়ের আড়াই বাই চার ইঞ্চির মোটামুটি শক্ত কাগজ। উপরে, ডানদিকের কোণায় লেখা, ‘বাংলাদেশ ডাক বিভাগ’। তার নীচে ঠিকানা লেখার জন্য পরপর চারটে সরলরেখা।
মূল লেখা শুরু হতো অপর পৃষ্ঠা থেকে।
…দিঘলী, কালিদাশ পাড়া।
গোবিন্দগঞ্জ।
**আশ্বিন, ১৩**(তখনো পর্যন্ত আমাদের পরিবারে ইংরেজি তারিখ দিয়ে চিঠি লেখা হতো না)
প্রায় সব চিঠিই শুরু হতো কল্যাণীয়, কল্যাণীয়া, স্নেহের ইত্যাদি সম্বোধন দিয়ে। যতদূর মনে পড়ে, কেবল শ্রীমঙ্গলে তাঁর গুরুদেবের চিঠিতে পরম পূজনীয় কথাটা লিখতে হতো।
তিনি বলে যেতেন আমি লিখতাম। বেশিরভাগই ভালোমন্দ। কেমন আছো? ছোট ছেলে (কিংবা মেয়ে ) কেমন আছে? আমাদের এদিকে কবে আসবে…
সব সময় গুছিয়ে বলতে পারতেন না। কেবল মূল টপিক ধরিয়ে দিয়ে বলতেন, ‘তুই লিখে নে,’ ছোট্ট একটা মুচকি হাসি দিয়ে হাত বাড়াতেন পানের বাটার দিকে।
সেই হাসির অর্থ আমি বুঝতাম। তাঁর বিদ্যার দৌড় শেষ। কথা বলতে চান। কিন্তু শব্দ জানা নেই। এ হাসি লজ্জার নয়। অপারগতার। না পারার অক্ষমতার।
আমি গুছিয়ে নিতাম।… ‘আমরা খুব ভালো আছি। তোমরা কেমন আছো পত্র পাওয়া মাত্র জানাইতে বিলম্ব করিও না…’ ইনিয়ে বিনিয়ে এগিয়ে চলতো লেখা। যতক্ষণ না কার্ডের শেষ সীমারেখা অবধি পৌঁছয়।
তাঁর এই, ‘আমরা খুব ভালো আছি,’ কথাটা মনে হলে আজও কেমন করে আমার। এমনিতে মা’কে কোনদিন মিথ্যে বলতে দেখিনি। শত বিপদেও না। অথচ চিঠি লেখা কিংবা কেউ যখন জানতে চাইতেন, দিদি, কেমন আছেন? মা দিব্যি বলতেন খুব ভালো আছি।
অথচ আমি (এবং আমরা সবাইই জানতাম) কাপড়চোপড়, খাবারদাবার, আশ্রয়…সবমিলিয়ে মোটেও ভালো নেই আমরা। ২০০২/০৩ এর আগ পর্যন্ত মা’র এই ‘আমরা খুব ভালো আছি’ কথাটা সবদিক থেকেই সর্ব্যোইব মিথ্যে ছিল।
তবু মা বলতেন। আমিও লিখে যেতাম।
কোন একটা প্যারা শেষ হলে তাঁকে পড়ে শোনানো লাগতো। এমনও হতো, দুটো চিঠি শেষে হয়তো হাত দিয়েছি তৃতীয়টায়, মা বলে উঠলেন, এই বেটা, অউ **’র (কারো নাম বলতেন তিনি) চিঠিটাত লেখ ছাইন গতবার যে তাইর পাও কাটছিল, হুকাইছে নি (গতবার যে তার পা কেটেছিল, শুকিয়েছে কি না) ওউ কথাটা লেখ রেবা।
আমার মা’র গলায় ক্ষীণ হলেও করুণ মিনতি। জানতেন পুরো কার্ড ভর্তি করেই লেখা হয়েছে। কোথাও আর কলম রাখার জায়গা নেই। তবু হঠাৎ মনে পড়ে যাওয়া এই বাক্যটার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠত তাঁর মন। তখনো ‘কারেকশন পেন’র যুগ শুরু হয় নি। মা পরামর্শ দিতেন, ‘কুটি কুটি করি লেখি লা (ছোট ছোট করে লিখে নে)।’
এর মাঝে বহুবার উঠে যেতেন তিনি। ভাতের মাড় ঝারতে হবে, ফকিরকে ভিক্ষা দেয়া, বড়ভাইয়ের শার্টের বোতাম লাগিয়ে দেয়া-এক সিটিং এ দশটার বেশি চিঠি লেখা হতো না।
আমাদের বাড়ি থেকে মাইলখানেক দূরে পোষ্ট অফিস। তবু এই দশটা চিঠি ওইদিনই পোষ্ট করে আসা লাগতো। পোষ্ট মানে গাঢ় লাল ডাকবাক্সের হাঁ করা মুখ দিয়ে ভেতরে ছুঁড়ে ফেলা। সবগুলো একসাথে পোষ্ট করতে গেলে আরও একদিন অপেক্ষা করতে হয়। এমন দেরি সওয়ার মতো ধর্য্য থাকতো না মা’র।
চিঠি যেতে অন্তত ছয় সাত দিন লাগতো। তারপর ওদিকের জবাব। অন্তত পনেরো-বিশ দিনের ধাক্কা। অথচ সপ্তা ঘুরে আসার আগেই অস্থির হয়ে উঠতেন মা,
‘একবারতা পোষ্টাবিসো যা রেবা (একবার পোষ্ট অফিসে যা)।’
তারপর…
যেদিন বাড়িতে ডাকপিয়নের হাঁক শোনা যেতো, ‘দিদি, বাড়িত নি গো? আফনার চিঠি…’
মা’র আনন্দ দেখে কে!…
*
বহুবছর হল মা’র জন্য আর চিঠি লেখা হয় না।
সময়ের আবর্তে একসময় তাঁর আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগের একছত্র ভার চলে এল আমাদের হাতে। ২০১৪’র ফেব্রুয়ারিতে স্ট্রোক এর পর কার সাথে যোগাযোগ হয় আর কার সাথে হয় না, ভালো করে জানেনও না আমার মা।
এখন সুপার ফাস্ট ফোর-ফাইভ ‘জি’র যুগ। স্কাইপ, ইমো’তে অনেকেই মা’র খোঁজ নেন। মা’র সামনে মোবাইল ধরে স্পীকার অন করি আমি। ফোনের সামনে নয়, অবাক চোখে পেছনে তাকিয়ে কথা বলা লোকটাকে খুঁজেন আমার মা।
আমার কানে বাজে মা’র ডিক্টেশান…
কল্যাণীয়া,
পত্রপাঠ আমার আশিস নিও…তোমরা সবাই কেমন আছো? …আমরা খুব ভালো আছি…
***


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

         নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান...

দক্ষিণ কানিশাইল লতিফিয়া ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থার ইফতার

         দক্ষিণ কানিশাইল লতিফিয়া ইসলামী সমাজ...

গ্যাসের দামের ব্যাপারে রীট মামলা অবিলম্বে শুনানী করা হোক

         গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদ...