কামরান ভাইয়ের সাথে অনেক স্মৃতির একটি

প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২০     আপডেট : ৩ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেলিম আউয়াল
লালাবাজারে একটি কবিতা উৎসব। কামরান ভাই প্রধান অতিথি। আমারও দাওয়াত।ভাবলাম কামরান ভাইয়ের সাথে চলে যাই, তার গাড়িতে করে। ফোন দিলাম খুব সানন্দে বললেন, ঠিক আছে দু্ই ভাই একসাথে চলে যাবো।আমি যোগ করলাম, কামরান ভাই আমি আর আপনি তো দু’জন, আমার সাথে আমার ওয়াইফও ছিলেন?খানিক ভাবলেন। বললেন এক কাজ করেন আপনারা দুজন মেন্দিবাগ চলে আসেন।আমি বললাম ঠিক আছে।তারপর আবার ফোন ঘুরালেন-আপনি কোথায়? বললাম আম্বরখানার বরকতিয়ায় আমার অফিসে।বললেন, আপনারা অফিসে থাকুন, আমি গাড়ি পাঠাচ্ছি।
প্রচন্ড জ্যামের মধ্যে কামরান ভাইয়ের গাড়ি আসলো। আম্বরখানা থেকে আবার ছড়ারপার তার বাসায় গিয়ে বুঝলাম জ্যাম কাহাকে বলে।ড্রাইভার তো নিশ্চয়, আমিও প্রচন্ড বিরক্ত।আমি আর আমার ওয়াইফ গাড়িতে বসে রইলাম। ভেতর থেকে একজন এসে বললো, স্যার বসতে বলেছেন।বিরক্ত বোধ করি।আমি আমার ওয়াইফকে গাড়িতে রেখে ভেতরে ঢুকি।কামরান ভাই এগিয়ে আসেন, ভাবি কই?
-গাড়িত আছন।
কামরান ভাই বললেন, তানরেও আনক্কা। ভাবীরে লইয়া আমার বাসাত আইছন, আর এক গ্লাস শরবত খাইয়া যাইতা নায়, ই কিথা কইন?
প্রথম দিকে তার উপর যে বিরক্তি এসেছিলো, এখন নিজেরই লজ্জা লাগে, নিজেকে খুব ছোট মনে হয়।আমার ওয়াইফকে নিয়ে ঢুকি। আসমা ভাবী বাসায় নেই। কাজের লোক আছে, তবুও কামরান ভাই নিজ হাতে শরবতের গ্লাস এগিয়ে দিলেন।শুধু শরবত খাওয়াবার জন্যে তিনি আমাদেরকে তার বাসায় বসিয়েছিলেন।
আমার ওয়াইফও বিস্মিত, কামরান ভাই এতো বড়ো মনের মানুষ।
আমার চল্লিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে শহিদ সোলেমান হলে একটি সংবধনা ছিলো। কামরান ভাই ছিলেন জাফলং। সেই প্রোগ্রামে যোগ দেবার জন্যে জাফলং থেকে সরাসরি সোলেমান হলে।
আরেকদিন বিয়ানীবাজার থেকে আসছিলাম। কামরান ভাই সামনের সিটে বসা। পুরো পথ তিনি আমাদেরকে গান শুনালেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

লাখো মুসল্লি শাহী ঈদগাহে মাঠে নামাজ আদায় করলেন

         শাহী ঈদগাহে বৈরী আবহাওয়া ও...

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : পবিত্র...

গোয়াইনঘাটে বজ্রপাতে নিহত এক

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : সিলেটের...

গ্রামীণফোনের ‘০১৩’ নম্বর সিরিজ চালু

         ০১৭’ সিরিজের পাশাপাশি নতুন নম্বর...