কাজী মেরাজসহ ৩ আসামীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮     আপডেট : ৪ বছর আগে

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় নিহত নগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত শিমু (৩২) খুনের ঘটনায় মদন মোহন ছাত্রদলের বহিস্কৃত সভাপতি কাজী মেরাজসহ তিন আসামীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আবেদন।

পুলিশের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয় বুধবার দুপুরে। এর আগে মঙ্গলবার রিমান্ড আবেদন আদালতে জমা দেয়া হয়েছিল।

এ খুনের ঘটনায় মোট ৪ জন আসামী কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। আর অন্য তিনজন গত সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন।

গত সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে শিমু হত্যা মামলার আসামীদের মধ্যে মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী মেরাজ, ইমাদ উদ্দিন ও দেওয়ান জাকি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদেরকে আবেদন মঞ্জুর না করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বেনু চন্দ্র দেব।

তিনি জানিয়েছেন, ‘আসামীদের গ্রেফতারে আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা পালিয়ে ছিল। সোমবার নিজেরাই আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। পুলিশ আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেছে। মঙ্গলবার আদালতে রিমান্ড প্রার্থনার আবেদন দেয়া হয়।’

গত ২৩ জানুয়ারি এ খুনের ঘটনায় নগরীর আম্বরখানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল কোতোয়ালি থানা পুলিশ। সুনামগঞ্জ জেলার আসামপুর এলাকার ফয়ছল আহমদের ছেলে রোমান আহমদ (২৮) নামের ওই আসামীও কারাগারে রয়েছে।

হত্যাকান্ডের পর ৩ জানুয়ারি বুধবার রাতে শিমু হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা (নং-০৭(০১)১৮) দায়ের করা হয়েছিল। শিমুর মামা তারেক আহমদ লস্কর বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামী মহানগর ছাত্রদল নেতা নাবিল রাজা চৌধুরী উরফে নাবিন চৌধুরীকে। ২ নম্বর আসামী করা হয় মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী মেরাজকে। এছাড়াও আসামী তালিকাতে নাম রয়েছে ছাত্রদল কর্মী মিজানুর রহমান সুজন, জাহেদ আহমদ, জাকি, ইমাদ উদ্দিন, নাহিয়ান রিপন, তুষারসহ কয়েকজনের। অজ্ঞাতনামা হিসেবে আরো ৬/৭ জনের নাম রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১ জানুয়ারি নগরীর কোর্টপয়েন্টে প্রকাশ্য দিবালোকে নিজ দলের সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন ছাত্রদল নেতা আবুল হাসনাত শিমু। পরের দিন দুই দফা জানাজার শেষে বাদ এশা শিমুর মরদেহ হযরত শাহজালাল (র.) দরগাহ গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।


আরও পড়ুন