কমলগঞ্জে গুটি বসন্ত রোগে ২ গবাদি পশুর মৃত্

,
প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২০     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় গুটি ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে অর্ধ সহ¯্রাধিক গবাদি পশু। এসব গবাদি পশু গুটি, খোঁড়া, ফোলাসহ নানা ধরণের চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত এলাকা সমুহে পর্যাপ্ত সরকারী চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না বলে কৃষকরা অভিযোগ করেছেন। ইতিমধ্যে এই রোগে আক্রান্ত ২টি গরু মারা গেছে। এটি গবাধি পশুর লামথিং স্কিন ডিজিজ বলে দাবী করেছে উপজেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শমশেরনগর, সদর, আলীনগর, পতনউষার, মুন্সীবাজার, আদমপুর ইউনিয়নসহ কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গবাদি পশুর ভাইরাস জাতীয় গুটি বসন্ত রোগের সংক্রমণ মারাত্মকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গবাদি পশুর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুটি, খোঁড়া, ফোলা রোগ দেখা দিচ্ছে। বিগত প্রায় দু’মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে পনের দিন আগে পতনঊষারের শ্রীসূর্য্য এলাকার অসিত শীল এর একটি ও আলীনগর ইউনিয়নের কামদপুর গ্রামের মনাফ মিয়ার একটি গরু মারা গেছে।
শমশেরনগর ইউনিয়নের সতিঝির গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান, পতনউষারের ধূপাটিলা গ্রামের ফটিকুল ইসলাম রাজু ও আলীনগরের মনাফ মিয়া, সুমন মিয়া, আদপুরের সবুজ মিয়াসহ বিভিন্ এলাকার কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদের বিভিন্ন প্রায় অর্ধ সহ¯্রাধিক গবাদি পশু এসব রোগে আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু আক্রান্ত পশুর জন্য তারা সরকারিভাবে ভালো কোন চিকিৎসা সুবিধা তারা পাচ্ছেন না। ফলে অধিক অর্থ ব্যায়ে প্রাইভেট চিকিৎসকদের দিয়ে তাদের আক্রান্ত গবাদি পশুকে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে। ফলে করোনা ভাইরাসের এই সময়কালে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সন্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেদায়েত আলী সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গবাদি পশুর এটি লামথিং স্কিন ডিজিজ। বর্তমানে সবদিকে কমবেশি এ রোগে আক্রান্ত গবাদি পশু দেখা যাচ্ছে। এটি মশা, মাছি থেকে সংক্রমিত হচ্ছে। তবে প্রাণি সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের মধ্যেও যথাসাধ্য চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এসব রোগে আক্রান্ত পশু ভালো হতে কিছুটা সময় লাগে বলে তিনি দাবী করেন। তবে মারা যাওয়া দু’টি পশু বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো হয়তো অন্য কোন রোগ বা ভূল চিকিৎসার কারণে মারা যেতে পারে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন