কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শুমারি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ঃ

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সনদ সহজীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশে এই প্রথম পাইলট প্রোগ্রাম হিসাবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবহিতকরণ সভা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শুমারি-২০১৮ এর প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও মণিপুরি ললিতকলা একাডেমির সহযোগিতায় উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের শিববাজারস্থ মনিপুরী ললিতকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে অবহিতকরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালক (অতিরিক্ত) মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব শুভাশিস সিনহা সমীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও উপসচিব আশফাকুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাজকান্ত সিংহ, গবেষক-লেখক আহমেদ সিরাজ, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের কো-চেয়ারম্যান জিডিসন প্রধান সুচিয়াং, মুসলিম মণিপুরি নেতা প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন, মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহ, লোকেন্দ্র সিংহ।
বাংলাদেশে এই প্রথম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শুমারির পাইলট প্রোগ্রামের উদ্যোগ সম্পর্কে স্বাগত বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু ও মনিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক কমলাকান্ত সিংহ প্রমুখ।
তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সনদ গ্রহণে সময়ক্ষেপণসহ নানা জটিলতার কারণে শুমারি করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করে রাখলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর যে কোন সদস্য সহজেই তার সনদ গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারবে। তাছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম ও বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আশফাকুর রহমান বলেন, চাকুরি ক্ষেত্রে ও উচ্চ শিক্ষায় ভর্তি ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সনদ সংগ্রহে সঠিক তথ্য সংগ্রহে অনেক সময়ক্ষেপণ হত। এতে সনদ আবেদনকারীরা নানা সমস্যায় পড়তেন। এ অভিজ্ঞতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদন সহজীকরণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি একটি পাইলট প্রোগ্রাম। পরবর্তীতে এভাবে সারা দেশেও করা হতে পারে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শুমারি করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সঠিক তথ্য সংগৃহীত থাকবে।
তথ্য সংগ্রহ করে রাখলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর যে কোন সদস্য সহজেই তার সনদ গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারবে। মৌলভীবাজার জেলায় নানা সম্প্রদায়ের ৬৫ হাজার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। এর মাঝে কমলগঞ্জ উপজেলায় ৫০ হাজার হবে। এজন্য কমলগঞ্জ থেকে পাইলট প্রোগ্রাম গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে সারা দেশে এ শুমারি হবে বলে তারা জানান।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন