কমলগঞ্জে অর্থের জন্য বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত দুটি পরিবার

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ঃ
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ ঘরে ঘরে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার উপেক্ষা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এক শ্রেনীর ঠিকাদার ও স্থানীয় প্রভাবশালী দালাল চক্র। এতে ভোগান্তির শিকার হয়েছে হাজার হাজার নি¤œবিত্ত পরিবার। বিনামূল্যের বিদ্যুৎ টাকায় কিনেছে অনেকে। আবার যারা টাকা দিতে পারেনি তারা হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বঞ্চিত। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার প্রত্যান্ত এলাকায় এভাবেই চলছে পল্লী বিদ্যুতায়নের কাজ। বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলনকারীরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস পায়না।
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে টিলাগাঁও গ্রামে বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে। কিন্তু টিলাগাঁও গ্রামে সবাই বিদ্যুতের আলোতে আলোকিত হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বঞ্চিত হয় দরিদ্র তিনটি পরিবার। কারন তারা প্রভাবশালীদের দাবিকৃত টাকা দিতে পারেনি।
এমন অভিযোগের খবর পেয়ে টিলাগাঁও গ্রামে গেলে কথা হয় স্বামী হারা বৃদ্ধা ফুলবানু ও রইছ মিয়া সাথে। তারা জানান, তাদের কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে এলাকার কিছু প্রভাবশালী নেতা। কিন্তু তারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বঞ্চিত হন। কাকে টাকা দিয়েছেন জানতে চাইলে তারা বলেন, সাচ্চু মোল্লা ও আলী আমজাদ নামে দুজন তাদের কাছে টাকা চায়। তারা আরো বলেন, আমাদের গ্রামের প্রতিটি পরিবার থেকে ৫/১০ হাজার করে টাকা নিয়েছে। আর সবাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। কিন্তু আমরা এখনো আলোর মুখ দেখিনি। আমাদের পাশের বাড়িতে আলো জলে আমরা থাকি অন্ধকারে। আমরা শুনেছি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিনামুল্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার কথা। কিন্তু আমরা কেন বিদ্যুৎ পাইনা?
কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের সাবেক এলাকা পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন,বিদ্যুতায়নের জরিপে আমি ছিলাম। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিচালনার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে আমি সম্পৃক্ত ছিলাম না।
কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মোবারক হোসেনের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, এই বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে যারা বিদ্যুৎ সংযোগ এখনো পায়নি তাদেরকে আবেদন করার জন্য তিনি বলেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন