ওসমানীনগরের মতিউরের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ১৮ জুলাই, ২০২০     আপডেট : ২ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য প্রদান না করতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের হামতনপুর গ্রামের মৃত আফতাব মিয়ার মেয়ে দলা বেগম রেজিয়াকে অনুরোধ জানিয়েছেন একই গ্রামের হাজি সাইস্তা মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান। তিনি বলেন, একটি চক্রের প্ররোচনায় তাকে হয়রানি করতে গিয়ে দলা বেগম ও তার তিন বোন নিজের ভাই এবং পরিবারের সদস্যদের সম্মান বিসর্জন দিয়ে মিথ্যাচার করছেন। শনিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি করেন তিনি।
মতিউর সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে দলা বেগমের করা সংবাদ সম্মেলনে প্রদানকৃত বক্তব্যে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘দলা বেগম আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য রেখেছেন। তার দুই প্রবাসী ভাইয়ের সম্পদ সুরক্ষার জন্য আমাকে দেয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্ণি কেড়ে নিতে এবং লোভের বশবর্তি হয়ে তিনি পারিবারিক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।’
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দলা বেগমের পিতা মৃত আফতাব মিয়ার ওসমানীনগরে ৬ শতক জমি রয়েছে। এই ৬ শতক জমির মধ্যে তার যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছেলে বশির মিয়ার নিজের টাকায় কেনা ৩ শতক ভূমি রয়েছে। এই ভূমি দলা বেগম কৌশলে তার স্বামী আনছর মিয়াকে দিয়ে তার পিতার নামে কাগজপত্র তৈরি করেছিলেন। বশির মিয়া যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে ২০১৬ সালে বিষয়টি জানতে পারলে ভাই ও বোনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের এক পর্যায়ে দলা নিজের দোষ স্বীকার করে এসব সম্পদে তার বা তার অন্য বোনদের কোন লোভ নেই, তারা ফরাইজ নিবেন না বলে আশ^স্ত করেন। তখন সবাই একমত হয়েই উত্তরাধিকার হিসাবে দ্ইু ভাইকে মনোনীত করেছিলেন। তাদের সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইউনিয়ন অফিস থেকে উত্তরাধিকারের কাগজ নিয়ে নামজারী করানো হয়েছিল। সম্পর্কে বশির মিয়া আমার চাচা (বাবার চাচাত ভাই)। দেশে তার সম্পত্তি দেখাশোনার আর কেউ না থাকায় আমাকে তিনি সেই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি তা সততার সাথে পালন করেছি বা করছি। বশির মিয়া গত বছরে ২১ জানুয়ারি আমাকে তার আমমোক্তার নিয়োগ করেন।
তিনি আরও বলেন, দলা বেগম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন আমার সহযোগিতায় তার যুক্তরাজ্য প্রবাসী দুই ভাই বশির মিয়া ও নজির মিয়া তাদেরকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার কুটকৌশল করছেন। মুরব্বিদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে আমি নাকি তাদের মাসহ ৪ বোনের নাম বাদ দিয়ে উত্তরাধিকার সনদ সংগ্রহ করেছি। এ প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য হচ্ছে, আমি কোন জালিয়াতি করিনি। একসময় তাদের ভাইবোনদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। তখন তারা সবাই একত্রে বসেই বোনেরা সম্পত্তি নিবেন না বলে সম্মত হয়ে আমাকে এটা করতে বলেছিলেন। সেখানে কয়েকজন মুরব্বির স্বাক্ষরও রয়েছে। যারা স্বাক্ষর দিয়েছেন তারা সবাই জীবিত। এখন বশির ও নজির মিয়ার সাথে তাদের বোনদের দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে কয়েকটি বিশেষ মহলের প্ররোচনায়। আর তাই তারা আমাকেসহ নিজের সহোদর ভাইদেরও প্রতারক বলছেন। এর পেছনে আছে দলা বেগমের প্রতারণা ও জালিয়াতির আরেক জঘন্য ইতিহাস।
তিনি বলেন, দলা বেগম ভাইদের বিরুদ্ধে বোনদের বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র কোথায় পেলেন আমি জানিনা, তবে বশির ও নজির জানিয়েছেন, তারা কোনভাবে বোনদের বঞ্চিত করতে চান না এবং তা করবেনও না। তারা যদি তাদের ন্যায্য পাওনা বুঝে নিতে চান তাহলে তাদের বললেই হবে। সেজন্য সংবাদ সম্মেলনের কোন প্রয়োজন ছিলনা। দলা বেগম ও তাদের অপর তিন বোন যদি ফরাইজের সম্পত্তি নিতে চান তাহলে তারা এলাকার মুরব্বিদের মাধ্যমে তাদের জানান। তাহলে তারা দেশে ফিরে বা যেভাবে সম্ভব তারা তাদেরকে তা বুঝিয়ে দিবেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

নির্বাচিত হলে উপজেলাবাসীর কল্যাণে অবদান রাখতে চাই: সিরাজী

         সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে...

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সিলেট আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

          ১৪ ডিসেম্বর (শুক্রবার) শহীদ...

মইনুদ্দিন আহমদ জালাল স্মরণে শোকসভা

         প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রপথিক ‘মানবিক বিপ্লবী’...

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সিলেট বিভাগে ৯লাখ বৃক্ষরোপন করা হবে

27        27Sharesনিজস্ব প্রতিবেদক :- জাতীয় বৃক্ষরোপণ...