এক নজরে শিক্ষাবিদ ও লেখক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী

প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মো. নাসির উদ্দিন:

নাম: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অব:)
পিতা: তজম্মুল আলী সিদ্দিকী (দুর্গাকুমার পাঠশালার সাবেক প্রধান শিক্ষক এবং শাহ সিদ্দিক (রহ:) এর অধঃস্তন বংশধর)
মাতা: মরিয়মুন্নেছা চৌধুরী
জন্ম: ১৯৪৯ সালের ৯ মার্চ শনিবার (কাকতালীয়ভাবে ৭০তম জন্মদিনটিও শনিবার)
স্ত্রী: ইয়াসমিন জুবায়ের (১৯৭৫ সালের ১৫ জুন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন)
সন্তান: তাইফা জুবায়ের, তাসনীম জুবায়ের, সাইনা জুবায়ের (প্রত্যেকেই প্রতিষ্ঠিত, ২ জন বিবাহিত ও ছোট মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জনে কানাডায় অধ্যয়রত।
ভাই-বোন: আনসারুন্নেছা বেগম, শাহনেওয়াজ সিদ্দিকী, মাহফুজা সিদ্দিকা, মাফরুহা সিদ্দিকা, শামীম আহমদ সিদ্দিকী, শাহরিয়ার সিদ্দিকী, ফাতেমা সিদ্দিকা, শাকেরা সিদ্দিকা, ও জাকারিয়া সিদ্দিকী সহ দশ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ২য়
পৈতৃক নিবাস: গ্রাম: পাঁচপাড়া, ডাক: ওসমানপুর, উপজেলা: বালাগঞ্জ, জেলা: সিলেট।
বর্তমান নিবাস: ফোকাস- ১৭৪, ব্লক এ, শান্তিবাগ, বালুচর, সিলেট।
শিক্ষাজীবন: বন্দরবাজারস্থ দুর্গাকুমার পাঠশালা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করে দি এইডেড হাই স্কুল থেকে ১৯৬৪ সালে এস এস সি এবং সিলেট এমসি কলেজ থেকে ১৯৬৬ সালে এইচ এস সি পাশ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অধিনে বিভাগীয় বিভিন্ন কোর্সের পাশাপাশি বাংলাদেশ কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ থেকে পিএসসি এবং চীনের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি থেকে এন.ডি.ইউ ডিগ্রী লাভ করেন।
চাকুরী: ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর সেনাবাহিনীতে চাকুরী করার পর বর্তমানে সিলেটের স্বনামধন্য ন্যাশনাল কারিকুলামভুক্ত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এন্ড কলেজ ‘স্কলার্সহোম’ শাহী ঈদগাহ ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ হিসাবে কর্মরত।
সেনাবাহিনীতে যোগদান ও অবসর গ্রহণ: ১৯৬৭ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগদান।
১৯৬৯ সালের ৩০ নভেম্বর সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে পদোন্নতি। ১৯৭১ সালে ১১ এপ্রিল লেফটেন্যান্ট পদে এবং ১২ এপ্রিল ক্যাপটেন পদে পদোন্নতি।
উল্লেখ্য: ১৭৭১ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত অন্যান্য বাঙ্গালীদের সাথে পাকিস্তানের নর্থ ওজিরিস্তানের খাজুরী দূর্গে বন্দী ছিলেন।
১৯৭৩ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করেন।
১৯৭৫ সালে ৬ জানুয়ারি মেজর পদে পদোন্নতি ।
১৯৮১ সালে ১২ ফেব্রুয়ারি লে: কর্নেল পদে পদোন্নতি।
১৯৮৯ সালে ২৯ এপ্রিল কর্নেল পদে পদোন্নতি সহ রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তাবাহিনীর ডেপুটি ডিরেক্টর পদে পদায়ন এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি নিজ হাতে রাষ্ট্রপতি ব্যাজেজ অব র‌্যাঙ্ক পরিয়ে দেন।
১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে যৌথবাহিনীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কন্টিজেন্টের উপ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন।
১৯৯১ সালের ২০ জনু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি ।
তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ডিভিশনের জি এস ও, অধিনায়ক, কমান্ড্যন্ট এবং ব্রিগেড কমান্ডার সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ভারত ও নেপালে বাংলাদেশের সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কুটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে ডেপুটিশনে নিয়োগ পেয়ে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবশেষে ১৯৯৯ সালের ৬ জানুয়ারি অবসর গ্রহণ করেন।
বিদেশ ভ্রমণ: আর্মিতে থাকাকালীন বিভিন্ন কোর্সের প্রশিক্ষণ, জাতিসংঘ মিশন এবং ব্যক্তিগতভাবে যে কয়টি দেশ সফর করেছেন তার মধ্যে ফিলিপাইন, রোম, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সৌদিআরব, নেপাল ও ভারত।
প্রকাশিত গ্রন্থ: স্মৃতির অলিন্দে (জুন ২০০৩), কালের কথামালা (জুন ২০০৮), আমার জীবন আমার যুদ্ধ (ডিসেম্বর ২০১২), সময় সংকট ও সম্ভাবনা (নভেম্বর ২০১৩)
লেখালেখির ধরণ: সমসাময়িক বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিয়মিত কলাম।
সামাজিক সম্পৃক্ততা: লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট এর সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সিলেট জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
গ্রন্থনা: মো. নাসির উদ্দিন, সম্পাদক-অনুপ্রাণন


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

মাদ্রিদে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল

         স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের...

সম্মিলিতভাবে সিলেটের দীর্ঘদিনের লালিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা হবে

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপার্সনের...

ছোট্ট বুড়ি ও টুনটুনি

         মোহাম্মদ আব্দুল হক আমি ছোট্ট...