একজন আদর্শ মানুষ

,
প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মুহাম্মদ আব্দুল মতিন:  লেখালেখির অভ্যেস আমার কোন সময়ই ছিলনা আর কেন যেন তার তেমন উদ্যোগও নেই না। কিছুটা সংকোচ কিছুটা দ্বিধা সব সময়ই কাজ করে। তবে হ্যাঁ বই পড়ে সব সময়ই আমি আনন্দ পাই। পত্র পত্রিকায় আসা নিত্য নৈমিত্তিক তত্ত্ব ও তথ্যবহুল ভাল লেখাগুলো আমি বেশ উপভোগ করি। সেদিন আমারই একটু কাজে এক মিডিয়া অফিসে গিয়েছি। সিলেটের খ্যাতিমান লেখক সেলিম আউয়ালের সাথে সরাসরি দেখা ও পরিচয়। তিনি আমাকে চেনেন আর আমি তাঁকে এতটা চিনিনা এটাকে আমি নিজের দৈন্যতা হিসেবে ধরে নেই। তাঁর সাথে কিছু কথাবার্তা আর সে সাথে সামনে রাখা কটি বই নাড়াচাড়া করে মুহূর্তেই তাঁর আসল পরিচয়টুকু পেয়ে যাই। তাঁর লেখা বইয়ে আমারও অনেক চেনা জানা বেশ ক’জন সাহিত্য গবেষক বিশিষ্ট জনের ছবি আর নাম দেখে আমি প্রীত হই। তাঁর দেওয়া ‘বই নিয়ে বই’ খানা বাসায় এসেই প্রথমে স্কিম রিডিং, পরে পুরোটা পড়ে কেবল আনন্দ পাইনি বরং তাঁর আসল পরিচয়টা তখন আরও ভাল করে জানতে পারি।
যে কথাটা মনে করে লেখার ইচ্ছে নিয়ে বসা তা কিন্তু এখনো শুরু করা হয়নি। কথা সাহিত্যিক সেলিম আউয়ালের আমন্ত্রণ ছিল আগামী নয় মার্চ এমন এক গুণীজনকে তাঁরা সংবর্ধনা দেবেন আমিও যাতে ওখানে উপস্থিত হই। আর সম্ভব হলে ঐদিনে যে স্মারকটি তাঁরা প্রকাশ করবেন তাতেও যদি একটা লেখা দেই তবে তারা আরও খুশি হন। ও হ্যাঁ যাকে তাঁরা সম্মাননা দেবেন তাঁর কথাতো এখনও উল্লেখ করা হয়নি। তিনি আর কেউ নন, আমাদের সবারই পরিচিত ব্যক্তিত্ব, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জুবায়ের সিদ্দিকী। তিনি আমারও একজন প্রিয় ব্যক্তি, সিলেটের বিশিষ্টজনদের একজন। সিলেটের যে কোন ভাল অনুষ্ঠানে, গুণীজন সমাবেশে যাকে প্রায়ই দেখা যায়। আমাদের এ সিলেট শহরে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিদের মাত্র কজনের মধ্যে একজন তিনি।
একসময় দেশ রক্ষায় অবদান রেখেছেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হয়েছেন। আজ তিনি মানুষ গড়ার ময়দানে অবদান রেখে হয়েছেন মহিয়ান। তাই তাকে সম্মাননা না দিয়ে আর কাকে দেওয়া যায়, তাই সেলিম আউয়ালের সাথে একমত হয়ে আমিও এতে উৎসাহিত হই।
আদর্শবান সময়ানুবর্তীতায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যারা সদা অভ্যস্থ, সুপথের দিশারী এমনজনকে যারা সম্মাননা দেবে তাঁরাও এক সময় সম্মানিত হবে এটুকু আমি অন্তত বিশ্বাস করি। আমি জানি যে সমাজ গুণীজনকে সম্মান দেয়না সে সমাজে গুনীজন জন্মায়না।
আমাদের সিলেটের এলিট সমাজের যে কোন ফোরামে প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথির আসনে যাকে প্রায় সময়ই আমরা দেখতে পাই তিনিই জুবায়ের সিদ্দিকী অতীতে তাঁর তথ্য সমৃদ্ধ জ্ঞানগর্ভ লেখনী অনেক সময়ই আমাদের সত্যানুসন্ধানী মনকে প্রেরণা যুগিয়েছে। তাই আমি চাই তাঁর লেখনী শক্তি আরও বেগবান হোক। মানুষ আরও শিখুক। ঠিক যে জায়গাটিতে থেকে সমাজের একটি ব্রিগেডকে তিনি আজ পরিচালনা করছেন। একদিন হয়ত দেখবেন ওরাও দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তখন তিনিও আনন্দিত হবেন। তাই তাঁরও উচিৎ ওদের জন্য দিক নির্দেশনামূলক আরও কিছু রেখে যাওয়া। আমি যেটা জানি জুবায়ের সিদ্দিকী একজন আদর্শ মানুষ। তার আদর্শে সবাই উজ্জীবিত হোক এ কামনাটুকুই আজ আমার। আয়োজকদেরও রইলো শত ধন্যবাদ।
মুহাম্মদ আব্দুল মতিন: অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এসআইইউ)


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পরবর্তী খবর পড়ুন : এক সফল তুর্যবাদক

আরও পড়ুন

ছাত্রদল নেতা তারেকের পিতার ইন্তেকালে ছাত্রদলের শোক

         সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা আশিকুর...

শাবিপ্রবি সমাজকর্ম এলামনাই এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

         শাবিপ্রবি সমাজকর্ম এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে...

করোনার দিনরাত্রি

18        18Sharesতাইসির মাহমুদ লন্ডন, যুক্তরাজ্য –...

শাহ আবদুল করিম লোকউৎসব শুক্রবার শুরু

         শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে দুই...