ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠা হলে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০১৯     আপডেট : ১ বছর আগে  
  

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য প্রফেসর ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান বলেছেন, পহেলা মে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে শ্রমিক দিবস। দিবসটি পালন হলেও লোকচক্ষুর আড়ালে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে, সভা-সেমিনারে বড় বড় বুলি আওড়ানো এবং বাস্তবে তা প্রয়োগ করা এক কথা নয়। বিশ্বব্যাপী পালিত এই শ্রমিক দিবসের সার্থকতা অর্জন করতে হলে আমাদের মহানবী (সা.) প্রদত্ত আদর্শের কাছে ফিরে যেতে হবে। তিনি বলেছেন- শ্রমিকদের ঘাম শুকানোর আগে মজুরী দিয়ে দাও। তাঁর নির্দেশিত বিধি-বিধানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব। কারণ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে তিনি শুধু কথাই বলেননি, বাস্তবেও প্রয়োগ করেছেন তাঁর কথা। তিনি নিজেও কাজ করেছেন শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে।
তিনি বলেন, ইসলাম শ্রমিক আন্দোলন মে দিবসে ১৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। এ ১৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে। তারা আর অবহেলিত থাকবেনা।

তিনি বুধবার (১লা মে) মহান মে দিবসে শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে র‌্যালী পরবর্তী সমাবেশে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। মে দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালিটি নগরীর শিশু পার্ক থেকে শুরু হয়ে চৌহাট্টা গিয়ে শেষ হয়।

শ্রমিক আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) আজমল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন সিলেট জেলার সভাপতি মাওলানা সাঈদ আহমদ, মহানগর সভাপতি মাওলানা নজির আহমদ, মহানগর সহ সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, শ্রমিক আন্দোলন সিলেট মহানগর সভাপতি কাছু মিয়া, জেলা সেক্রেটারী আলহাজ্ব হাফিজ ইমাদ উদ্দিন, যুব আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি কে.এম শিহাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব, ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার সভাপতি ফয়জুল হাসান চৌধুরী, মহানগর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আরাফাত প্রমুখ।

আরও পড়ুন