আ’লীগ নেতা খুনের ঘটনায় ২৪ঘন্টার মধ্যে খুনীদের গ্রেফতারের দাবী

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : ছাতকে এক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লালের পরিকল্পনায় ও মদদে আমার স্বামীকে গুম করে খুন করা হয়েছে। তাকে গুম ও খুন করে ইট বেঁধে বিলের পানিতে তলিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান বিল্লালই আমার স্বামীকে খুন করে আমার সন্তানদের এতিম করেছে। স্বামীর খুনের ঘটনায় আহাজারী করতে-করতে এমনই অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম। এসময় স্ত্রী রেহেনা বেগমের সাথে তার সন্তানদের আহাজারীতে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পুরান মৈশাপুর গ্রামে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। পুলিশের কাছে বিচার প্রার্থী হয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে স্ত্রী রেহেনা বেগম, পুত্র ইয়াছিন আহমদ, কন্যা আজিফা ও জেনিফা, ভাই মানিক মিয়া, আকিক মিয়া, ভাতিজা ডাঃ বায়েজিদ আলম সহ পরিবারের লোকজন এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের ভাই, উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাহ আহমদসহ তার সহচররা ফারুক মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে দাবী করেন। এদিকে উত্তর খুরমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মিয়া খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে শহরসহ গোটা উপজেলা। বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে খুনিদের গ্রেফতার দৃষ্টান্তমুলক শান্তির দাবী করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন। গত রোববার সন্ধ্যায় আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়াকে গুম ও হত্যার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন। মিছিল শেষে ট্রাফিক পয়েন্টে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন তালুকদার ধলা মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এমপি মানিকের ভাই, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদসহ ফারুক মিয়ার খুনীদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন। অন্যতায় আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়া হত্যার বিচারের দাবীতে দলীয় নেতা-কর্মীরা রাজপথে আন্দোলন নেমে আসবে। প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ সদস্য আজমল হোসেন সজল, আওয়ামীলীগ নেতা শাহীন আহমদ চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালেক রাজা, আখলাকুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, রুহুল আমিন তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, কল্যানব্রত দাস, নুর উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, আজাদ মিয়া মেম্বার, এমএ কাদের, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন চয়ন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জামায়েল আহমদ ফরহাদ, ছাতক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াদ আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি আব্দুল কাদির প্রমুখ। গত বোরবার রাত সাড়ে ১০টায় তার নিজ বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে জানাজায় নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জন আটক করে রহস্যজনক কারনে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ করেন এলাকাবাসি। সামছুল ও আব্দুল করিম নামে দু’জনকে পুলিশ আটক করেছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসি। এ ঘটনার পর থেকে গ্রামের আজাদ মিয়া ,সোনা মিয়া ও রিজ্জাদ আহমদসহ পাচঁটি পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়ী ঘর ছেড়ে পালিয়েছে বলে গ্রামবাসি জানান। গত রোববার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ওসি আতিকুর রহমান জানান এঘটনায় থানায় এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি দেয়া অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

সিলেটের নতুন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান

         সিলেটের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসাবে...

যুক্তরাজ্যে সংক্ষিপ্ত সফর শেষে এড. মাহফুজ দেশে আসছেন কাল

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট জেলা...