আইডিইবি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী- ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের আহ্বান

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০১৯     আপডেট : ৯ মাস আগে

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণমানুষের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি সামনে রেখে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)। আইডিইবি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস উপলক্ষে সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন থেকে নেতৃবৃন্দ এ আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়-চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পরিবর্তন হবে খুব দ্রুত। কেউ কোনো উদ্ভাবন নিয়ে দ্বিধায় থাকলে তার স্থান অন্য কেউ দখল করে নেবে। অধিকাংশ উদ্ভাবনী ব্যবসার ব্যাপারে এখনই অথবা কখনই না ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উদ্ভাবন গাণিতিক নয়, জ্যামিতিক হারে বাড়বে। পরিবর্তনের প্রস্থ ও গভীরতা অনেক ব্যাপক উল্লেখ করে বলা হয় তৃতীয় বিপ্লবের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা ৪র্থ শিল্প বিপ্লব অর্থনীতি, সমাজ, ব্যবসা ও ব্যক্তিজীবনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করবে। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে আইডিইবি’র এবারের প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রতিপাদ্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ৪র্থ শিল্প বিপ্লব নির্ধারণ করা হয়েছে বলে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।’
আগত বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সংবাদ সম্মেলনে ৯টি সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়েছে। সুপারিশসমূহ হচ্ছে- সকল শিক্ষা ব্যবস্থায় জ্ঞান ও দক্ষতা ভিত্তিক কারিকুলাম প্রবর্তন, প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে ন্যূনতম একটি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাস্তরে ৩টি কারিগরি বিষয় অন্তর্ভুক্তকরণ, পর্যায়ক্রমে শিক্ষাকে ভোকেশনালাইজড করা, সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে জ্ঞান ও দক্ষতা ভিত্তিক পুনর্গঠনসহ বিশ্বমানের শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করা, দেশে আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বৈশ্বিক চাহিদার প্রেক্ষাপটে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, উন্নত বিশ্বের ন্যায় দেশের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীর হার ৫০-৬০ ভাগে উন্নীত ও মধ্যম স্তরের কারিগরি শিক্ষাকে ৪০-৪৫ভাগে উন্নীত করা, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দক্ষ জনবল সৃষ্টির জন্য সকল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পেশাগত চাহিদার ভিত্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ এবং শ্রমনিষ্ঠ মানুষের মর্যাদা ও পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা।
এসব সুপারিশ ও গণপ্রকৌশল দিবসের প্রতিপাদ্যের বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন-জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে নেতৃবৃন্দ জানান। কর্মসূচির মধ্যে জেলা পর্যায়ে দিবসের প্রতিপাদ্যের আলোকে সেমিনার, আলোচনা এবং নবীন প্রবীণ সদস্য প্রকৌশলীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘লার্নিং বাই ডুয়িং হোক শিক্ষার ভিত্তি’।
সংবাদ সম্মেলনে আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মহমুদুর রশীদ মসরুর, সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মোঃ নজরুল হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ ইয়াছিন ইকরাম, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খালেদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক হাসানুজ্জামান চৌধুরী, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক মঈনুল ইসলাম চৌধুরী, সাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক রমাপদ দাস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার দে, পাউবো ডিপ্রকৌস’র সভাপতি আলী আহমদ হোসাইন, সদস্য প্রকৌশলী সালাম পারভেজ চৌধুরী, মোঃ জয়নুল আবেদীন, আবু আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

রাস্তা সংস্কাররে আশ্বাসে র্কমবরিতী স্থগতি

নাজমুল ইসলাম, জন্তৈাপুর(সলিটে) প্রতনিধি:ি- সলিটে-তামাবলি...

শতবর্ষী কবি আব্দুল ওয়াহিদ ছিলেন অখন্ড সুনামগঞ্জের প্রতীক

 শহীদুজ্জামান চৌধুরী অ্যাডভোকেট: মহকুমা থেকে...